বিজ্ঞাপন
default-image

আমাদের বাসার চালচলন, আচরণ সবই দাদুর থেকে প্রভাবিত। আমাদের বাসায় সব সময় অতিথিরা আসেন, যার শুরুটা দাদুর হাত ধরেই। খুব বন্ধুপ্রিয় মানুষ ছিলেন আমার দাদু। আমি শুনেছি, তিনি যখন সুস্থ ছিলেন, অনেক চেনা–অচেনা মানুষ প্রায়ই আসতেন আমাদের বাসায়। তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সের বন্ধুই ছিল দাদুর।

দাদু চলে যাওয়ার পর বাবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ দাদুকে সেবা করেছিলেন বাবা। তাই বাবাকে খুশি করার জন্য আমি দাদুর একটা পোর্ট্রেট এঁকেছিলাম। প্যাস্টেল দিয়ে। তখন বয়স ছিল ছয়। নানা কারণে আঁকাআঁকি থেকে দূরে ছিলাম। অনেক বছর পর সেই ইচ্ছা আবার জেগে ওঠে। তাই দাদুর আরেকটি পোর্ট্রেট আঁকলাম গত বছরের ২৫ ডিসেম্বরে দাদুর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাতে। এবার কলমের কালিতে। বয়সে একটু পরিপক্ব হয়েছি তো!

পোর্ট্রেটগুলো খুবই সাদামাটা, কিন্তু এর পেছনে অনেক গল্প আছে; যা কাগজে–কলমে বোঝা যাবে না, দেখে বুঝতে হবে। দেশের মানুষের শৈল্পিক চোখ তৈরি হোক, এটা ছিল দাদুর একটা অপূর্ণ ইচ্ছা।

লেখক: শিক্ষার্থী, এ লেভেল (এ ২), সাউথব্রিজ স্কুল, ঢাকা

কিশোর আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন