বিজ্ঞাপন

ই-স্কিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ নমনীয় উপাদান পলিভিনাইল অ্যালকোহল, যাতে স্বর্ণের একটি স্তর থাকে। ই-স্কিন মূলত পরিধানযোগ্য সেন্সর, যা হৃৎস্পন্দন ও মাংসপেশি নড়াচড়ার বৈদ্যুতিক সংকেত ধরতে পারে। ছোট্ট একটি তারহীন ট্রান্সমিটার বুকের কাছে বাঁধা থাকে, যা হৃৎস্পন্দনের তথ্য কাছের স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে বা ক্লাউডে পাঠায়। এতে অনেক দূরে বসেও চিকিৎসক সে তথ্য পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। সোমেয়ার ভাষ্য, ই-স্কিনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের বিভিন্ন ধরনের তথ্য পর্যবেক্ষণ করা। তা যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ছাড়াই করা যেতে পারে।

সূত্র: নেচার ডট কম

কিশোর আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন