বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবার দেখা যাক, এই তিনটা ফর্ম মিলিয়ে কীভাবে একটা পুরো ফিগার করা যায়। পরের পাতার কার্টুন ফিগারে আসলে এই তিনটা ফর্মই বারবার ব্যবহার করা হয়েছে। গোলটা মোটামুটি গোলই আছে, যদিও চারকোনা বা আয়তক্ষেত্রগুলো একটু একটু বাঁকানোর প্রয়োজন হয়েছে। এভাবে যদি একটা কার্টুন ফিগার আঁকা হয়, তবে সেটা বেশ নিয়ন্ত্রণে থাকে। অর্থাৎ আমরা বুঝতে পারব কোন অংশটা আসলে কেমন হবে।

default-image

নিচের সব কটি ফর্মই কিন্তু পুরোটা আঁকা হয়েছে। পরে অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছে দেওয়া হয়েছে। চাইলে এটাকে আস্তে আস্তে ডিটেইলের চূড়ান্তে নেওয়া যায়। কিন্তু কার্টুনে অতটা দরকার নেই। এমনকি এখনকার কার্টুন নেটওয়ার্কের দারুণ সব কার্টুন কিন্তু এই রকম সহজ ফর্ম দিয়েই করা হয়। জাপানি ডোরেমন পোকেমন বা গেন্দি তারতাকোভস্কির পাওয়ার পাফ গার্লস, ডেক্সটার্স ল্যাবরেটরি বা সামুরাই জ্যাক কিন্তু এভাবেই করা। সুতরাং, যারা ডিটেইল করতে পারি না ভেবে ভয় পাচ্ছিলাম, তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটুকুই যথেষ্ট কাজ চালানোর জন্য।

default-image

ইন্টারনেট থেকে নামানো নিচের ছবিটায় সামুরাই জ্যাকের কিছু চরিত্র দেখা যাচ্ছে, যেটি একেবারে সাধারণ কিছু ফর্মেরই যোগ-বিয়োগ। ভালো কথা, যারা ডিটেইল করতে চাইছ, তাদের জন্য তো আমাদের আরেকটু এগোতে হবে। সুসংবাদ হলো, আমরা আস্তে আস্তে ডিটেইলের দিকে যাচ্ছি। আগামী পর্বে আমরা বহু চেনা ফর্মের সঙ্গে রং আর টেংচার মিলিয়ে ডিটেইল কীভাবে কাজ করে, সেটা বোঝার চেষ্টা করব। আপাতত গোল, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজই চলুক।

default-image
ফিচার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন