default-image

‘দোস্ত, একটু পানি দে তো ।’ - এই কথা বলেনি বা শোনেনি এমন মানুষ খুব বেশি নেই। স্কুলে তোমরা বোতল ভরতি পানি নিয়ে যাও। অনেকে খাও, অনেকে পানি ঢেলে দাও ঘুমন্ত বন্ধুর গায়ে। কারণ যেটাই হোক, পানিটা আমাদের খুব দরকার। শুধু আমরা কেন? গাছপালা, মাটি এমনকি ইট-সিমেন্টের দেয়ালকেও পানি খাওয়ালে তারা ভালো থাকে। আমরা কি আর পানি ছাড়া ভালো থাকতে পারি?

default-image

পানি আছে বলেই না আমরা আছি। পানি নিয়ে কবিতা, গান, গল্প রচিত হচ্ছে। চিত্রশিল্পীরা আঁকার মাধ্যম হিসেবে জলরং পাচ্ছেন। পরিচালকেরা তাঁদের সিনেমায় বৃষ্টিভেজা গানের দৃশ্য রাখতে পারছেন। আমরা আমজনতা বিশ্ব পানি দিবস নামের একটা দিবসও পাচ্ছি। কিন্তু এই পানি যে আমাদের কতটা দরকার, সেটা টের পাওয়া যায় তৃষ্ণা পেলেই। যেটা টের পাও না কিন্তু অতি সত্য সেটা হলো, সামান্য তৃষ্ণা পেলেই খাবারের মেটাবলিজম-প্রক্রিয়া ৩ শতাংশ কমে যায়। প্রয়োজনের তুলনায় ২ শতাংশ পানিও যদি কম গ্রহণ করো, তাহলে তোমার মেমোরি ফাংশন ঠিকভাবে কাজই করতে পারবে না। প্রতিদিন আট গ্লাস পানি মেরুদণ্ড ও হাড়ের ব্যথা প্রতিহত করতে পারে, প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচ গ্লাস পানি কমায় কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি।

default-image

পানি বেশি খেলে নানা ঝামেলা থেকে মুক্তি-ব্যাপারটা কিন্তু পানির মতোই সহজ। তবে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি। পানিবাহিত রোগের কথা  সবাই জানোই, কিন্তু ‘আরে কী হবে, খা’ টাইপ চেতনা নিয়ে ঠিকই খেয়ে ফেলো। কখন যে জীবানুরা দেহে ঢুকে যায়, টেরও পাও না। তাই পানি খাবার বেলায় সতর্ক হতে হবে সবাইকে। অনেক কথা বলে ফেললাম, গলাটা একেবারে শুকিয়ে গেছে। এবার যাও দুই গ্লাস বিশুদ্ধ পানি নাও, তারপর ঢকঢক করে খাও। এক গ্লাস তো তোমার জন্য এমনিতেই  বরাদ্দ. আরেক গ্লাস পানি খাবে আমার পক্ষ থেকে।

মডেল : অর্নিমা, রাদি, পুষ্পিতা, রাফি ও সানজানা

ছবি : সুমন ইউসুফ

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0