বিজ্ঞাপন
default-image

তোমার বিজ্ঞানমুখী মন নিশ্চয়ই মক্সি কীভাবে কাজ করে তা জানতে উসখুস করছে। সহজ ভাষায় বোঝানো যাক।

মক্সি মূলত একটা গাছের মতো কাজ করে। প্রথম ধাপে মঙ্গলের বাতাসে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নেয়। আমরা জানি কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) ভেতরেই দুইটি অক্সিজেনের অণু থাকে। পরের ধাপে, উচ্চ তাপ আর বিদ্যুৎ ব্যবহার করার মাধ্যমে আলাদা করে অক্সিজেন অণুকে। শেষ ধাপে উৎপন্ন হওয়া অক্সিজেন মুক্ত করে দেয় বাতাসে। ব্যস! কাজ শেষ।

আপাতত পারসিভারেন্সের সাথে পাঠানো মক্সির আকার খুবই ছোট। তা দিয়ে পুরো গ্রহ অক্সিজেনে ভরিয়ে দেওয়ার আশা করা বৃথা। কিন্তু নাসা সফলতার দেখা পাওয়ায় আশা করা হচ্ছে পরেরবার এবারের চেয়ে ১০০ গুণ বড় মক্সি পাঠানো হবে মঙ্গলে। যা চাহিদার তিন চতুর্থাংশ অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে।

তাহলে অল্প কয়েকদিন পরেই মঙ্গলে দেখা হচ্ছে। চা খেতে খেতে দুই চাঁদের জোছনা উপভোগ করব আমরা। বুক ভরে অক্সিজেন টেনে বলবো, “আহা! কী আনন্দ আকাশে-বাতাসে।”

কল্পনা করতে তো দোষ নেই। কী বলো?

তথ্যসূত্র : নাসা

ফিচার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন