শুভ জন্মদিন, শতবর্ষী ডেভিড অ্যাটেনবরো!
আজ কিংবদন্তি ভ্রমণকারী ও প্রকৃতিবিদ স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরোর শততম জন্মদিন। শুভ জন্মদিন, স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো! তিনি ১৯২৬ সালের ৮ মে ইংল্যান্ডের আইলওয়ার্থে জন্মগ্রহণ করেন। খুব কম মানুষই আছেন, যাঁরা স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরোকে চেনেন না বা তাঁর কাজ সম্পর্কে জানেন না।
এখন পর্যন্ত বিশ্বে যত প্রামাণ্যচিত্র তৈরি হয়েছে, নিঃসন্দেহে এর মধ্যে সেরাদের অন্যতম বিবিসির ‘প্ল্যানেট আর্থ’। এটি প্রকৃতির বিস্ময়কর বাস্তবতাকে আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরেছে। এর ধারাবর্ণনা করেছেন স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো। লাইফ অন আর্থ, দ্য প্রাইভেট লাইফ অব প্ল্যান্টস এবং দ্য ব্লু প্ল্যানেট-এর মতো প্রাকৃতিক ইতিহাসনির্ভর অনুষ্ঠানগুলোও তিনি উপস্থাপনা করেছেন।
নিজের গম্ভীর ও প্রশান্ত কণ্ঠ দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করেছেন তিনি। তাঁর বর্ণনার ধরন যেন প্রকৃতির নিজস্ব ভাষা। তাঁর সেসব প্রামাণ্যচিত্র ৭০ বছর ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে।
শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, তাঁর নামে প্রায় ৫০টির বেশি প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে। এমনকি একটি প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে তাঁর একটি ডকুমেন্টারি সিরিজের নাম অনুসারে। দ্য প্রাইভেট লাইফ অব প্ল্যান্টস নির্মাণকালে তিনি বিশ্বের বৃহত্তম ফুল অ্যামোরফোফালাস টাইটানাম-এর সন্ধান পান। তিনি এই কঠিন বৈজ্ঞানিক নাম বদলে দেন ‘টাইটান অরাম’। অনেক অভিযানে গিয়ে তিনি এমন সব উপজাতির সন্ধান পেয়েছেন, যাদের সম্পর্কে আগে কেউই জানত না।
ডেভিড অ্যাটেনবরোর অভিযানগুলো রোমাঞ্চে ভরা। প্রকৃতির বিস্ময়ে ভরপুর, যেন রূপকথার ভ্রমণকাহিনি। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে প্রায় এক শ বছর কাটানোর পর আমি এখন বুঝতে পারছি, এই গ্রহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভূমি নয়, সাগর।’