গণিত ও প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মশালা
দুটি বিষয়, দুজন বক্তা—কর্মশালা অবশ্য একটাই। উচ্ছ্বাস তৌসিফ ও জাহিদ হোসাইন খান আশার যৌথ প্রযোজনায় জানা গেল, কীভাবে গণিত এবং প্রযুক্তি একটি অন্যটিকে প্রভাবিত করছে। কর্মশালার সূচনা করেছেন উচ্ছ্বাস তৌসিফ। সভাকক্ষেই এআই টুলকে জিজ্ঞেস করলেন, কে জিতবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ। প্রজেক্টরের মাধ্যমে সবাই দেখতে পেল তা। উচ্ছ্বাস তৌসিফ বললেন, এআইকে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো কাজ করে দিতে বলার নাম প্রম্পটিং। সব কাজ এআই করবে, মানুষের কাজের আর ভবিষ্যৎ রইল না, এই ধরনের দুর্ভাবনাকে প্রশ্রয় না দিয়ে তিনি জোর দিতে বললেন দুটি বিষয়ে। এক, এআই যা জানে না তা জানা, চিন্তাভাবনা করা। দুই, কীভাবে ভালো প্রম্পট লিখে এআইকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেওয়া যায়, তা শেখা।
এরপরই গণিত নিয়ে কথা বললেন জাহিদ হোসাইন আশা। গাছের কিছু পাতাও ছিল তাঁর সঙ্গে। তিনি জানালেন, প্রকৃতিতে, আমাদের চারপাশে যা কিছু সুন্দর, নান্দনিক, দৃষ্টিনন্দন সেসবের সবকিছুতেই আছে গণিতের গোল্ডেন রেশিও। পাতাও গাছের সঙ্গে এমন কোণে বিন্যস্ত, যার ফলে কোনো পাতা অন্যটির জন্য আলো পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এআই এল জাহিদ হোসাইন আশার বক্তব্যেও। তিনি বললেন, ‘এই জয়জয়কার আমরা সাম্প্রতিক সময়ে দেখতে পেলেও এর শুরুটা হয়েছিল সেই পঞ্চাশ-ষাটের দশকে। গণিতের ভূমিকা এ ক্ষেত্রে ব্যাপক।’
উভয় বক্তাই কর্মশালার শেষাংশে এসে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের মনোযোগ ও অ্যালগরিদম প্রসঙ্গে সচেতনতার কথা বললেন। আর ব্যাখ্যা করলেন আমাদের দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক, সাশ্রয়ী ও কার্যকরী এআই মডেল গড়ে তোলা কেন জরুরি।