প্রিয় কিআ,
আমি তোমার ৮ বছরের পুরোনো পাঠক। গত মাসের সংখ্যাটা দারুণ ছিল! প্রতি মাসে তুমি এসে আমার মন ভালো করে দিয়ে যাও। তোমাকে পড়ার পর মনটা ফ্রেশ হয়ে যায়। একনিশ্বাসে তোমাকে পড়ে শেষ করে ফেলি। একটা প্রশ্ন ছিল। গত সংখ্যায় ‘পায়েস’ নামের কমিকসটা কি তিন গোয়েন্দার কিশোর পাশাকে নিয়ে ছিল? কিশোরের অবশ্য মা–বাবা দুজনই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। তবু এখানে কিশোরের নামটা জানিয়েই কমিকসটা শেষ করা হয়েছে। আমার কাছে এটাকে বেশ রহস্যময় মনে হয়েছে। যা-ই হোক, তুমি আমার চিঠিটা না ছাপালেও কিন্তু আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবে। অ্যানিমের ব্যাপারে ছাপবে বেশি বেশি । আর আমি কে-পপের ভক্ত। কে-পপ সম্পর্কেও ছাপানোর অনুরোধ রইল। ভালো থেকো। (বি.দ্র. আমি গুছিয়ে চিঠি লিখতে পারি না। কিছু মনে কোরো না)
আমায়রা হোসেন, ষষ্ঠ শ্রেণি, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও
কিআ: সক্রেটিস বলেছেন, নো দাইসেলফ; অর্থাৎ নিজেকে জানো। কথাটা তোমাকে মনে করিয়ে দিলাম। কারণ, তুমি যে কত গুছিয়ে চিঠি লেখো, তা নিজেই জানো না। ‘পায়েস’ কমিকসের কিশোর তিন গোয়েন্দার কিশোর নয়। কিশোর আলোর সঙ্গে মিলিয়ে নামটা রেখেছিলেন কমিকসের শিল্পীরা। অ্যানিমে নিয়ে তো লেখা হচ্ছেই। কে-পপ নিয়েও হবে। অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। ভালো থেকো।
প্রিয় কিআ,
আমি তোমার পুরোনো পাঠক। তোমরা নাকি ই-মেইলের চিঠি ছাপাও না? কথা কি সত্যি? তাহলে সবার ভুল ভাঙার জন্য আমার চিঠিটা ছাপিয়ে দাও। আর নভেম্বর সংখ্যাটি ভালো ছিল।
শেখ জাওয়াদ, সপ্তম শ্রেণি, যশোর জিলা স্কুল, যশোর
কিআ: তোমার কী মনে হয়?
প্রিয় কিআ,
কীভাবে যে বলব, বুঝতেই পারছি না। আমি কিআর পাঠক আরও দু-তিন বছর আগে থেকে। প্রতি মাসে আমি কিআ কিনে আনার জন্য জোরাজুরি করতাম। পরে কেউ কিনে না দিলে আমি নিজেই কিনে নিয়ে আসতাম। তোমার কমিকগুলো এত ভালো লাগে, কী বলব। কিন্তু মাঝখান দিয়ে তোমাকে আমি পড়া ছেড়ে দিই। কেন জানো?
তোমাকে এত চিঠি দিলাম, তুমি একটাও ছাপাওনি। এ জন্য আমি এত আপসেট হয়েছিলাম যে কী বলব। পরে তোমার ওপর আর রাগ করে থাকতে পারলাম না। সোজা চলে গেলাম কিআ কার্নিভ্যালে। সেখানে গিয়ে আপনা-আপনি তুমি মনটা ভালো করে দিলে। আমার সব দুঃখ এভাবেই চলে গেল। আমার অনেক বন্ধু কিআ কার্নিভ্যালে যেতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। আমি এখন ওদের ছবি দেখাই শুধু, আর সান্ত্বনা দিই। ভালো থেকো।
ইসরাত জাহান
নবম শ্রেণি, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
কিআ: চিন্তা করো, তোমার রাগ ভাঙাতে আমাদের আস্ত একটা কার্নিভ্যাল আয়োজন করতে হলো! কী একটা অবস্থা! চিঠি ছাপা না হলে রাগ হতেই পারে। কিন্তু তাই বলে রাগ করে বন্ধুকেই ছেড়ে দেবে? এ কেমন নিষ্ঠুরতা? আমার ক্ষমতা মাত্র ৩ পৃষ্ঠা। ৩ পৃষ্ঠায় চিঠি ছাপা যায় বড়জোর ১২-১৫টি। চিঠি আসে শত শত। এরপর তোমরাই (যারা রেগে আছ) সিদ্ধান্ত নাও, কতটা রাগ করবে। আমার আশা, তোমরা রাগ না করে বোঝার চেষ্টা করবে এবং আমাদের সঙ্গেই থাকবে।
প্রিয় কিআ,
আচ্ছা, কেউ যদি মাসের শেষে চিঠি পাঠায়, তার চিঠিও কি ছাপাও তোমরা? জানো,আমার একাকিত্বের সঙ্গী তুমি। অনেক চিঠি জমা করে রেখেছি নিজের কাছে, ধীরে ধীরে তোমাকে পাঠাব। ভালো থেকো।
সাজিয়া শাহরিন, একাদশ শ্রেণি, বিসিআইসি কলেজ, ঢাকা
কিআ: হ্যাঁ, ছাপি তো। তুমি যখন ইচ্ছা তখন চিঠি পাঠাতে পারবে। তবে ভালো হয় প্রতি মাসের ৫ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে চিঠি পাঠালে। কারণ, ২৫ তারিখের পর কিআ প্রেসে চলে যায়। আশা করি তুমি তোমার চিঠিগুলো পাঠাতে শুরু করবে। ভালো থেকো।