প্রিয় কিআ,
আশা করি, ভালো আছ। আগস্ট মাসের সংখ্যাটা দারুণ ছিল। আমি আর আমার যমজ বোন মানহা অনেক রান্না করি। তাই অনুরোধ রইল, রান্না নিয়ে একটি সংখ্যা করার। আর হ্যাঁ, যমজদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সংখ্যা ছাপার কথা ভুলে যেয়ো না।
তানহা আফিয়া চৌধুরী ও মানহা আফিয়া চৌধুরী
ষষ্ঠ শ্রেণি, আর কে লাইসিয়াম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মৌলভীবাজার
কিআ: যমজদের কী কী সুবিধা, সেটা তোমরা লিখে পাঠালে ভালো হতো। লিখে পাঠাও আমাদের। আপাতত আমি একটা সুবিধা পেয়েছি, এই যেমন একসঙ্গে দুজনের চিঠি ছেপে দিলাম। নাহলে দুটি চিঠি ছাপতে হতো। ভালো থেকো তোমরা।
প্রিয় কিআ,
তোমাকে একটা সুখবর দিই। আমার দেখাদেখি এখন আমার ছোট্ট ভাই নাহইয়ানও কিআ পড়ে। কিআর ‘তাতা’ কমিকসটা তার খুব প্রিয়। তার অনুরোধ তুমি যেন আরও বেশি বেশি কমিকস ছাপাও। তোমার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
মায়মুনা আনজুম
অষ্টম শ্রেণি, জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গাজীপুর
কিআ: অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। ধন্যবাদ নাহইয়ানকেও। একটা বিষয় তো বললে না, ও কি তাতার মতোই দুষ্টু? নাহইয়ানের কাণ্ডকীর্তিও কিন্তু লিখে পাঠাতে পারো। ভালো থেকো তোমরা।
প্রিয় কিআ,
এ বছরের জানুয়ারি মাসে হাতে পাই তোমাকে। তখন ক্যাডেট কলেজের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলাম, তবে তোমাকে পড়ে শেষ করতে মাত্র কয়েক দিনই লেগেছে। পরীক্ষার আগের দিনও আমি তোমাকে পড়েছি। যা–ই হোক, হয়তো এ জন্যই আজ আমি একজন ক্যাডেট! তোমার প্রতি অনুরোধ, ক্যাডেট কলেজ নিয়ে একটা ফিচার ছাপবে। ধন্যবাদ তোমাকে।
ক্যাডেট পরশ
সপ্তম শ্রেণি, রংপুর ক্যাডেট কলেজ, রংপুর
কিআ: শাবাশ! অভিনন্দন তোমাকে। তুমিই তো আমাদের ক্যাডেট কলেজ প্রতিনিধি। ক্যাডেটজীবন নিয়ে লিখে পাঠাও। আমার মনে হয়, কিআর সবাই পছন্দ করবে তোমার লেখা। কিআ পড়তে থাকো। তবে পরীক্ষার আগে আর কিআ পড়ার দরকার নেই, পরেও পড়া যাবে। ভালো থেকো।
প্রিয় কিআ,
কী অবস্থা তোমার? ‘টিম-এনএসআর’–এর পক্ষ থেকে এক বালতি কাঠগোলাপের শুভেচ্ছা (কাঠগোলাপ আমাদের প্রিয় ফুল, তাই আরকি) তোমাকে। টিম-এনএসআর হলো সৎ, চরিত্রবান, নীতিবান, পরোপকারী, আত্মবিশ্বাসী, শান্ত (ক্ষেত্রবিশেষে), ভদ্র (একটু দুষ্টুও বটে)। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, পাঁচজনের এই দল কিআর মারাত্মক ভক্ত। এই কারণে তারা স্কুল চলাকালে ক্লাসে লুকিয়ে তোমার কাছে চিঠি লেখে। ভয়ও হয়, যদি আবার ধরাটরা পড়ে যায়...এত কষ্টের বিনিময়ে লেখা চিঠি যদি তুমি না ছাপো, তাহলে মনের দুঃখ রাখার মতো তাদের আর জায়গা থাকবে না।
টিম-এনএসআর (হৃদি, সামিয়া, নবনীতা, নুহা, শর্মী)
নবম শ্রেণি, নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কুমিল্লা
কিআ: বাহ! একেবারে দলবদ্ধ চিঠি। প্রথমে ভেবেছিলাম ‘এনএসআই’—মানে ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স। পরে বুঝলাম অন্য ঘটনা। তোমাদের এই সৎ, চরিত্রবান, নীতিবান, পরোপকারী, আত্মবিশ্বাসী, শান্ত ও ভদ্র সদস্যসমৃদ্ধ দলটির কাজ কী, তা তো বললে না। জাতি তোমাদের দল সম্পর্কে জানতে চায়। ‘টিম-এনএসআর’কে শুভেচ্ছা। ভালো থেকো তোমরা।
প্রিয় কিআ,
আমার অনেক অনেক ভালোবাসা নিয়ো। অনেক দিন পর আবারও তোমাকে হাতে পেলাম। আমার প্রথম কিআ কিন্তু ছিল ২০১৩ সালের অক্টোবর সংখ্যাটা। কিআর প্রথম সংখ্যা। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ৭। ২০১৯ পর্যন্ত প্রতিটা কিআ আমি নিয়মিত পড়েছি, সংগ্রহ করেছি। এক অর্থে আমরা একসঙ্গেই বড় হয়েছি। এরপর করোনা, পড়ার চাপে নিয়মিত কিআ পড়ার সুযোগ কমে গেছে, তবে বন্ধ হয়ে যায়নি। এখন দেখি, আমরা দুজনেই ডায়েট করছি! তবে এবারের কিআটা পড়ে মনে হলো, এত দিন বড় মিস করলাম কিআ না পড়ে। এখন থেকে আবার নিয়মিত কিআ পড়া শুরু করব, ইনশা আল্লাহ। তোমার ও কিআ পাঠকদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
বি.দ্র: কিআর স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার জন্য কোথায় যোগাযোগ করব, বলতে পারো, প্লিজ?
আয়রা মেহজাবীন শরীফ
একাদশ শ্রেণি, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ, চট্টগ্রাম
কিআ: ওয়েলকাম ব্যাক আয়রা, তুমি তো আমাদের পুরোনো বন্ধু! কত মিল আমাদের মধ্যে—আমরা দুজনই ডায়েট করছি। শুভকামনা তোমার জন্য।
প্রিয় কিআ,
আগস্ট সংখ্যাটা দারুণ ছিল। যাকে বলে অসাধারণ। আমি তোমার নিয়মিত পাঠক ছিলাম না! এখন আমি তোমার নিয়মিত পাঠক হওয়ার পথে। আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ আমার জন্মদিন। আমি চাই, সবার আগে তুমি আমাকে উইশ করো। কারণ, তুমি আমার ভালো বন্ধু। ভালো থেকো, কিআ।
অরণি প্রজ্ঞা
ষষ্ঠ শ্রেণি, ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মীরের ময়দান, সিলেট
কিআ: এই নাও, সবার আগে কিআর উইশ।