সহপাঠীদের ভাষার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উঠতে পারি না

আমার সহপাঠীদের মতো আমি বেশি স্ক্রিনটাইম কাটাই নামডেল: লাবণ্য, ছবি: প্রথম আলো

প্রিয় কিআ,

তুমি কি থট রিডিং করতে পারো? গত সংখ্যার বিষয় আমার মনের সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে! গত জানুয়ারিতে স্কুলের শতব্যস্ততার মধ্যে তোমাকে চিঠি লিখতে না পারলেও তুমি আমার মনের বিষয় নিয়েই সংখ্যা সাজিয়েছ। আমিও আমার সহপাঠীদের ভাষার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উঠতে পারি না। কারণ, আমার সহপাঠীদের মতো আমি বেশি স্ক্রিনটাইম কাটাই না। শুনলে অবাক হবে, কিন্তু আমি মোটেও বাড়িয়ে বলছি না, আমার সর্বমোট স্ক্রিনটাইম হলো ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তা-ও আবার এই সময়ে আমি গুগল বা ইউকিপিডিয়ায় একাডেমিক সহযোগিতা খুঁজি।

গত সংখ্যার আত্মোন্নয়ন বিভাগের ফিচারটাকে হাঁড়কাপানো বলব আমি। আমিও ফোনের চেয়ে বইয়েই নিজেকে বেশি খুঁজে পাই। আমি ব্যক্তিগতভাবে সাই-ফাইয়ের বিরাট ভক্ত। এখন পর্যন্ত মোটামুটি ২০০ সাই-ফাই পড়া শেষ আমার। গত সংখ্যার জুলিয়ান কোয়েপক নামের কিশোরীর বেঁচে ফেরার রোমহর্ষক কাহিনিটা বেশ ভালো লেগেছে।

গত মাসে ব্যস্ততার কারণে মিম কনটেস্টে মিম পাঠাতে পারিনি। কিন্তু আমি যে মিম পাঠাব ভেবেছিলাম, দেখি সেটাই নির্বাচিত হয়েছে। এ দুঃখ যে কোথায় রাখি...

ভালো থেকো। চিঠি একটু বেশিই বড় হয়ে গেছে। আশা করি না ছাপলেও পড়বে। এই আশায় চিঠি শেষ করলাম। স্বাধীনতা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

কাওসার আহমেদ জারিফ

অষ্টম শ্রেণি, ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাইস্কুল, ঢাকা

কিআ: বাহ! ২০০ সাই-ফাই পড়া তো বিশাল ব্যাপার। তুমি আমাদের তোমার পড়া সেরা পাঁচটি সাই-ফাই বই নিয়ে লেখা পাঠাতে পারো কিন্তু। ভালো থেকো। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা তেমাকে।