প্রিয় কিআ,
আমি কাঁটা কম্পাস, জ্যামিতি বক্সে থাকি। কোনো কারণ ছাড়াই! কেন থাকি, কেউ জানে না, এমনকি আমি নিজেও না! এভাবেই পড়ে আছি বছরের পর বছর। খোঁজও নেয় না কেউ, এমনকি হারিয়ে গেলেও না। কেউ জানেই না আমি ছিলাম। এই আমার সম্মান! আমার সঙ্গে যারা থাকে, পেনসিল কম্পাস, চাঁদা, স্কেল—এদের কত ব্যস্ততা! কেননা, এরা কাজ করে। পেনসিল কম্পাস দিয়ে বৃত্ত বানিয়ে দিল, চাঁদা দিয়ে কোণ এঁকে দিল, স্কেল দিয়ে লাইন টেনে দিল। আর আমার, দুদিকে দুটি কাঁটা লাগিয়ে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। কোনো সম্মান নেই! আমাকে দিয়ে যে যা-তা কাজ করে, নখের ময়লা পরিষ্কার করে। এর সঙ্গে জ্যামিতির কী সম্পর্ক? তুমি আমাকে সাহায্য করো।
আর হ্যাঁ, চিঠিটা মেহেরাজের নামে ছাপিয়ে দিয়ো, আমাকে অনেক বড় সাহায্য করেছে। ভালো থেকো।
মেহেরাজ করিম
নবম শ্রেণি, ভগবান সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, কুমিল্লা
কিআ: কী যে বলো কাঁটা কম্পাস, নিরাপত্তার জন্য তুমিই কিন্তু সবার প্রথম পছন্দ। তা ছাড়া বন্ধুত্বের চিহ্ন চিরস্থায়ী করে রাখতে বেঞ্চে যে চিত্রকর্ম আঁকা হয়, সেটার জন্যও কিন্তু তুমি ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। ফলে তুমি এ নিয়ে একদম চিন্তা কোরো না। চিন্তা করে দেখো, এই যে ইরেজার, স্কেল, শার্পনার—এদের কিন্তু আত্মরক্ষার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু তোমার সঙ্গে কেউ লাগতে এলে একেবারে ফুটো হয়ে ফিরতে হবে। ফলে তুমি তোমার মতো থাকো। মেহেরাজ যেমন তোমাকে সাহায্য করল, ওকে সাহায্য করো। ভালো থেকো।
প্রিয় কিআ
তুমি না থাকলে জানতাম না
কিশোরদের নিয়ে কেউ ভাবে,
তুমি না থাকলে বুঝতাম না
সৃজনশীলতা কী এই ভবে,
তুমি অসাধারণ, অনন্য,
তোমাকে বন্ধু হিসেবে পেয়ে আমি ধন্য।
কেমন লাগল? অবশ্যই জানিয়ো।
আফিয়া হুমায়রা
সপ্তম শ্রেণি, হলি ক্রস বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা
কিআ: আমিও তোমার চিঠি পেয়ে ধন্য। অনেক অনেক শুভেচ্ছা তোমার জন্য। ভালো থেকো।
প্রিয় কিআ,
আমি তোমার নতুন পাঠক। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আমি তোমাকে পড়ছি। মা যখন আমাকে প্রথম তোমাকে পড়তে দিয়েছিল, অনেক ভালো লেগেছিল আমার। তাই আমি প্রতি মাসে মায়ের কাছে আবদার করি কিআর জন্য। আমাদের হকার আঙ্কেল অনেক দেরি করে কিআ দেন, আমার খুব রাগ হয়। আগস্ট সংখ্যাটি দিয়েছেন ১২ তারিখ। তুমি কুইজে বলেছ, ই-মেইলে উত্তর গ্রহণযোগ্য নয়। আমি তো চট্টগ্রামে থাকি। তাই কুইজের উত্তর পাঠাতে পারছি না। প্লিজ, আমি যাতে কুইজের উত্তর পাঠাতে পারি, সে ব্যবস্থা করে দাও। জানো, আমি গত বছর জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় উচ্চাঙ্গসংগীতে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছি। আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু এ বছর আমি অংশগ্রহণ করতে পারিনি, সেই জন্য একটু খারাপ লেগেছিল।
হৃদিতা চৌধুরী
সিডিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম
কিআ: গত বছর যে উচ্চাঙ্গসংগীতে পুরস্কার পেয়েছ, এ জন্য অভিনন্দন! এ বছর অংশ নিতে পারোনি কেন? এ বছর নিশ্চয়ই প্রথম পুরস্কার পেতে তুমি। প্যারা নাই। আগামী দিনে এত পুরস্কার পাবে যে আলাদা শেলফ বানাতে হবে তোমার বাসায়। চট্টগ্রাম থেকে তো অসংখ্য পাঠক কুইজের উত্তর পাঠায়। তুমি কেন পাঠাতে পারছ না, জানিয়ো। তাহলে হয়তো আমরা ভেবে দেখব।