বিজ্ঞাপন

তবে কী হবে, যদি তুমি টানা ৪৮ ঘণ্টা না ঘুমাও? এ পর্যায়ে তোমার দেহ ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেবে। দেহের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন, তোমার দেহ সেটা সরবরাহ করতে পারবে না। তোমার চোখের ভেতরের পর্দা আরও লাল হয়ে উঠবে। তোমার মুখের চামড়ার ভাঁজের দাগ আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তবে ধীরে ধীরে তোমার সঙ্গে হ্যালুসিনেশন হওয়া শুরু হবে। তোমার মস্তিষ্ক স্বপ্ন আর বাস্তবে পার্থক্য করতে পারবে না।

তোমার ঘুম–বিরতি যদি ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে যায়, তাহলে তোমার দেহ এবার নিজের ভেতরের প্রোটিন ব্যবহার করা শুরু করবে। এ ছাড়া নিজস্ব কোষ, অবশিষ্ট গ্লুকোজ, চর্বিসহ দেহ সব ধরনের শক্তির উৎস ব্যবহার করবে। দুই সপ্তাহ পেরোতেই তোমার দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়বে যে তুমি সাধারণ রোগেই মারা যাবে। আর তিন সপ্তাহ পেরোতেই, তুমি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যাবে। তুমি যদি একটু বেশি স্বাস্থ্যবান হও, তাহলে হয়তো আরও কিছুদিন বেশি ঘুম ছাড়া বেঁচে থাকতে পারবে। তাই কখনোই না ঘুমিয়ে এসব পরীক্ষা করতে যেয়ো না।

যদি তোমার বেশি ক্লান্ত লাগে, তাহলে অবশ্যই তোমার পরিমিত ঘুমের প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে সময়মতো ঘুমাও। তাহলেই সময়মতো ঘুম থেকে জেগে উঠতে পারবে। সময়মতো সারতে পারবে তোমার প্রাত্যহিক কাজ।

ইনশ ওয়ার্ল্ড অবলম্বনে

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন