default-image

তিন মাস হলো ফেলুদার হাতে কোনো কেস নেই। লালমোহনবাবুর গল্পের প্লটেও চলছে ঘাটতি। এর মধ্যে একদিন পত্রিকায় বেরোল বারানসীতে হঠাৎ এল মছলি-বাবার কথা। অতএব দেরি কিসের! লালমোহনবাবুর কথায় থ্রি মাসকেটিয়ার্স বেরিয়ে পড়ল কাশীর উদ্দেশে। সেখানে গিয়ে জানা গেল, কাশীর প্রভাবশালী ঘোষাল পরিবারের ছোট্ট সোনার গণেশ মূর্তিটি চুরি হয়েছে তিন দিন আগে। গোয়েন্দা হিসেবে খ্যাতির কারণে উমানাথ ঘোষাল ফেলুদাকে অনুরোধ করলেন মূর্তিটি উদ্ধারের জন্য। এদিকে কাশীর আরেক জাঁদরেল লোক মগনলালের দাবি, ফেলুদা যেন তার তদন্ত বন্ধ রাখে। এর মধ্যে নৃশংসভাবে খুন হলেন প্রতিমা গড়ার কারিগর শশীবাবু। সামনে এগোবার কোনো পথই যেন খোলা নেই। এ এমনই এক অন্ধকার গোলকধাঁধা যে ফেলুদার মতো দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা কিনা সিদ্ধান্ত নিল গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে দেবে!

এখন কী ঘটবে? ঘোষাল পরিবারের গণেশ কি উদ্ধার হবে? নাকি স্বয়ং ফেলু মিত্তির গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে দেবে? শ্বাসরুদ্ধকর এই প্রশ্নের উত্তর জানতে এখনই পড়ে ফেলো সত্যজিৎ রায়ের লেখা জয় বাবা ফেলুনাথ বইটি।

লেখক: শিক্ষার্থী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

বিজ্ঞাপন
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন