বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলাই আধুনিকতা। সেটা হোক সমাজে বা প্রযুক্তিতে। এ জন্য প্রয়োজন জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর চর্চা। অর্জিত জ্ঞানের সঙ্গে নিজের চিন্তার গভীরতা, নিজস্বতা দর্শন মিলে হয় প্রজ্ঞা। আর তার চর্চার মাধ্যমে এগিয়ে যায় মানুষ। কিন্তু এর জন্য সবার আগে প্রয়োজন, একটি ধারালো মস্তিষ্ক। আমরা যখন আধুনিকতার নামে মাদক সঙ্গী করি তখন তা কীভাবে আমাদের মগজ কুরে কুরে খায়, তা সবারই জানা। মানুষের চিন্তাশক্তি দুর্বল হচ্ছে ভোঁতা মগজে কমছে গতি। কিন্তু যুগ এগোচ্ছে তাকে পেছনে ফেলে। যে মাদকের জন্য এ পশ্চাৎপদতা, তাকেই অনেকে বলে আধুনিকতা!

অথচ রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী আধুনিকতাকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে, ‘কেহ যদি স্বতন্ত্র হইবার উন্মাদনায় মত্ত হইয়া নিত্যনূতন উদ্ভট কর্মকাণ্ড প্রদর্শন করিতে থাকে, তবে তাহাকে আধুনিক বলি না। আধুনিক সেই, যাহার কামনা কেবলই মঙ্গল। বিশ্বহিতার্থে পুরাতন আবর্জনাকে দুই হস্তে ঠেলিয়া বিশুদ্ধ তারুণ্যকে সে বরাবর আহ্বান করিয়া যাইতেছে...।’

মাদক হলো সেই পুরোনো আবর্জনা। মাদক নেওয়া আধুনিকতা—এ ভুল ধারণা ভাঙতে পারলেই সেই আবর্জনা দূর করা সম্ভব।

আধুনিকতার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সবাই। নজরুল জয়ধ্বনি করে নূতনের কেতন উড়িয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ সব পুরোনো জরাজীর্ণকে পেছনে ফেলে স্বাগত জানিয়েছেন নতুন দিনকে। কিন্তু যখনই মানুষ আধুনিকতার ভুল ব্যাখ্যা করে, তখনই দাঁড়ায় বিপত্তি। তাই সবারই উচিত আধুনিকতার ধারণাটাকে পরিষ্কার করা। মগজের যুক্তি দিয়ে সত্যকে বের করে আনা।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন