default-image

১ ফেব্রুয়ারি

গাড়িবিমা দিবস

এই দিবসের পেছনে বিশেষ কোনো গল্প নেই। তাৎপর্যময় কোনো ঘটনা মনে করিয়ে দেওয়ারও কিছু নেই এই দিবসে। প্রতিবছর অসংখ্য গাড়ির বিমা করা হয় দুনিয়াজুড়ে। তাই এই দিবসে মনে করিয়ে দেওয়া হয়—আসুন আরেকটু যাচাই-বাছাই করি, ভালো বিমা প্রতিষ্ঠান খঁুজে নিই।

default-image

২ ফেব্রুয়ারি

ক্রেপ দিবস

ক্রেপ একধরনের প্যানকেক। বলা যায়, প্যানকেকের জ্ঞাতি ভাই। কিন্তু এই দিবসকে ধরা হয় প্যানকেক-বিরোধী দিবস হিসেবে! কেকের রাজনীতি বলতে পারো! লেবু ও চিনির স্বাদে ভরপুর ক্রেপের উৎপত্তি ফ্রান্সে।

default-image

৩ ফেব্রুয়ারি

গাজরকেক দিবস

মধ্যযুগে নিশ্চয়ই ডায়াবেটিসের রোগী ছিল না। কারণ, সে সময় চিনি ও অন্যান্য মিষ্টি উপাদান ছিল দুর্লভ। তাই কেক বা পুডিং-জাতীয় খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হতো গাজর বা মিষ্টি সবজি। কয়েক শ বছর আগেই সেই প্রক্রিয়া সেকেলে হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবার ‘একেলে’ হিসেবে পরিচিতি পায় মিষ্টি সবজির কেক ও পুডিং। চিনি দুর্লভ হওয়ায় যুক্তরাজ্যের খাদ্য মন্ত্রণালয় নিয়ম করে দেয় মিষ্টি সবজি বা গাজর দিয়ে কেক বানাতে। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজরের কেক বেশ জনপ্রিয়, স্বাস্থ্যকরও বটে।

default-image

৪ ফেব্রুয়ারি

ঘরে বানানো স্যুপ দিবস

সবাই তো এখন ভীষণ ব্যস্ত। ঘরে বসে বানানোর চেয়ে কোনো একটা রেস্তোরাঁয় গিয়ে অর্ডার দিলেই চলে আসে ধোঁয়া ওঠা গরম গরম স্যুপ। কিন্তু তাই বলে কি ঘরে আর স্যুপ বানানো হবে না? ঘরে বানানো স্যুপ খেয়ে আরাম করে ঢেঁকুর তুলুন—এমন স্লোগান দিতেই এই দিবস।

default-image

৫ ফেব্রুয়ারি

নুটেলা দিবস

‘নুটেলা’ নামটার সঙ্গে নিশ্চয়ই পরিচয় আছে? থাকলে এতক্ষণে জিভে জল আসতে বাধ্য। ইতালির এই খাবারটির দুনিয়াজোড়া খ্যাতি। বাদাম ও চকলেটের মিশেলে তৈরি নুটেলার কথা মনে করিয়ে দিতে দিবসটির আয়োজন।

default-image

৬ ফেব্রুয়ারি

খোঁড়া হাঁস দিবস

ইংরেজিতে ‘লেম ডাক ডে’। লেম ডাক হলো ক্রাচে ভর করা একটা আহত হাঁস। এই হাঁস আসলে ক্ষমতা হারাতে বসা রাজনীতিকের প্রতীক। ইন্টারনেট ঘাঁটলে দেখবে, জর্জ বুশ বা বারাক ওবামার মতো নেতাদেরও লেম ডাক উপাধি দিয়ে মজা করা হয়।

default-image

৭ ফেব্রুয়ারি

প্রতিবেশীর উদ্দেশে তোমার সবগুলো আঙুল নাড়াও দিবস

জি না, এটা প্রতিবেশী দিবস নয়। প্রতিবেশীর উদ্দেশে তোমার সবগুলো আঙুল নাড়াও দিবস। আঙুল নাড়িয়ে প্রতিবেশীকে বিরক্ত করা যাবে না কিন্তু! পাশের বাড়ির মানুষদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখাই এই দিবসের মূল কথা। আর তাই বলা হয়, এই দিবসে প্রতিবেশীর সঙ্গে দেখা হলে ডান হাত তুলে সবকটা আঙুল নাড়াও। এমনভাবে নাড়াও, যেন তুমি ৯০ ডিগ্রি কোণে পিয়ানো বাজাচ্ছ। তাই ৭ তারিখের আগেই পিয়ানো বাজানো শিখে ফেলতে পারো!

default-image

৮ ফেব্রুয়ারি

ঘুড়ি ওড়ানো দিবস

এখনো যারা বোকাট্টা ঘুড়ির পেছনে ছোটোনি, তাদের জীবনটা ষোলোআনাই মিছে! জীবনটা ষোলোআনাই সত্যি করতে চাইলে ৮ ফেব্রুয়ারি মোক্ষম দিন; এ দিন একটা ঘুড়ি কিনে আকাশে ওড়াও। বাংলাদেশেও কিন্তু বেশ ঘটা করে এই উৎসব পালিত হয়।

default-image

৯ ফেব্রুয়ারি

বিয়ে দিবস

এই দিবস পালন করার মতো যথেষ্ট বয়স হয়নি তোমাদের। দিবসটির মর্ম বুঝতে হলে আরও বড় হতে হবে। তবে তোমার মা-বাবা, বড় ভাই-বোন, চাচা-ফুফু-খালা, দাদা-দাদি, নানা-নানিরা কিন্তু পালন করতেই পারেন। সেই পার্টিতে তুমি যোগ দিলে দোষের কিছু হবে না।

default-image

১০ ফেব্রুয়ারি

তোমার কম্পিউটার সাফ করো দিবস

তোমার বাসার কম্পিউটারটা যদি হয় কচ্ছপগতির, ফ্যানটা যদি শব্দদূষণের কারণ হয় এবং সামান্য একটা ফাইল খুলতে যদি তোমার বয়স বেড়ে যায় কয়েক মিনিট, তাহলে সাফ করো। হ্যাঁ, কম্পিউটারের খোলসটা খুলে ফেলে ভেতরটা সাফ করো। এটা মনে করিয়ে দিতেই এই দিবস। সবার আগে কম্পিউটারটা শাট ডাউন করতে ভুলবে না কিন্তু! আর এই দিবসে উদ্বুদ্ধ হয়ে তোমার কম্পিউটারটাকে আবার পানি দিয়ে গোসল করিও না!

default-image

১১ ফেব্রুয়ারি

সাদা শার্ট দিবস

এই দিবসের পেছনে একটা ইতিহাস আছে। ১৯৩৭ সালের কথা। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মোটরগাড়ির যন্ত্রাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনারেল মোটরসের কর্মীরা ধর্মঘট ডেকেছিলেন। আন্দোলনটা ছিল ভালো পরিবেশে কাজ করার অধিকার আদায়ের জন্য। ১১ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। আর তাই এই দিনটায় সাদা শার্ট পরে অফিস করে সেই আন্দোলনে নিজেদের সমর্থন প্রকাশ করে অনেক দেশের মানুষ।

default-image

১২ ফেব্রুয়ারি

ডারউইন দিবস

চার্লস ডারউইন—তিনিই দেখিয়েছেন বানর থেকে বিবর্তিত হতে হতে আধুনিক মানুষ হয়ে উঠেছি আমরা। এই ব্রিটিশ বিজ্ঞানীর জন্মদিন ১২ ফেব্রুয়ারি। তাই সেদিন ডারউইন দিবস।

default-image

১৩ ফেব্রুয়ারি

নিজেকে বিপুল ভালোবাসার দিবস

এই দিবসের প্রচলন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ‘সেলফহেল্প গুরু’ ও লেখক ক্রিস্টিয়ান অ্যারাইলো।  ম্যাডলি ইন লাভ উইথ মি, দ্য ডেয়ারিং অ্যাডভেঞ্চার টু বিকামিং ইউর ওন বেস্ট ফ্রেন্ড  নামে একটি বই লিখেছিলেন এই মার্কিন। বইটি মূলত নারীদের জন্যই লেখা। বইটিতে অ্যারাইলো বলেছেন, কাল তো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। সেই দিবসের আগে নিজের প্রতি খেয়াল রেখো, নিজের যা ইচ্ছে হয়, তাই কোরো। নিজেকে ভালোবাসো। কারণ, তুমি হয়তো কাউকে প্রচণ্ড ভালোবাসো, কিন্তু তুমিও অনেক ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য!

খুব জটিল দিবস, তাই না?

default-image

১৪ ফেব্রুয়ারি

দাতা দিবস

‘মানুষ মানুষের জন্য’ গানটা শুনেছ না? গানের কথা খুব সত্যি। মানুষ সব সময় মানুষের বিপদে-আপদে এগিয়ে আসে। তুমি নিজেও নিশ্চয়ই তোমার বন্ধুর অনেক বিপদে এগিয়ে গেছো। বিশেষ করে অনেকেই বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায় রক্ত, চোখ, কিডনিসহ টাকা-পয়সা দিয়ে। যারা এমন সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তাদের বলা হয় দাতা, কেউ হয় রক্তদাতা, কেউ হয় অর্থদাতা। পৃথিবীর এমন সব দাতাকে সম্মান জানাতেই দাতা দিবস।

default-image

১৫ ফেব্রুয়ারি

গামড্রপ দিবস

গামড্রপ কী, বলো তো? আমরা কিন্তু এটা প্রায়ই খাই, নামটা হয়তো জানি না। ছবি দেখে চিনতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। চুইংগামের মতো খানিকটা আঠালো, বেশ খানিকক্ষণ চিবানো যায়, মিষ্টি তো বটেই। তো ১৫ ফেব্রুয়ারি গামড্রপ খেয়ে পালন করো দিবসটা। সংবিধি সতর্কীকরণ: গামড্রপ বেশি খাওয়া দাঁতের জন্য ক্ষতিকর!

default-image

১৬ ফেব্রুয়ারি

উদ্ভাবন দিবস

বন্ধুমহলে খঁুজে দেখো, একজন না একজন ‘বিজ্ঞানী’ পেয়ে যাবে। তুমি নিজেই হয়তো সেই জন, যার টেবিলের ড্রয়ার ঘাটলে হয়তো মিলবে পুরোনো ব্যাটারি থেকে শুরু করে নাট-বল্টু-স্পি্রং-চুম্বক-মোটরসহ নানা খুঁটিনাটি ‘বৈজ্ঞানিক’ যন্ত্রপাতি। ১৬ ফেব্রুয়ারি হলো উদ্ভাবন দিবস। সেদিন নতুন কিছু উদ্ভাবন শুরু করতে পারো। অন্তত নতুন কিছু করার কথা ভাবলেও দিবসটা উদ্যাপন হয়ে যাবে।

default-image

১৭ ফেব্রুয়ারি

আমার পথ দিবস

ইংরেজিতে একটা কথা আছে—ইটস মাই ওয়ে অর দ্য হাইওয়ে। আমার পথ দিবসের কোনো আগমনপথ পাওয়া যায়নি। এর মোদ্দা কথাটা অবশ্য জানা। সেটা হলো—তোমার যা ইচ্ছা হয়, তা-ই করো। যা ইচ্ছা তা-ই বলতে বন্ধুকে একটা গাট্টা মারার ইচ্ছা হলে গাট্টা মারা নয় কিন্তু! ইচ্ছাটা অবশ্যই ভালো, নিরীহ ও সবার ভালো হয় এমন হতে হবে!

default-image

১৮ ফেব্রুয়ারি

একক কাজ দিবস

খেতে খেতে ফেসবুকিং করছ, আবার মাঝে হয়তো ফোন এল, তারপর হয়তো আবার একটা বইও পড়ছ—এমন ঘটনা কিন্তু প্রতিদিনই ঘটছে। মানে, একই সময়ে একাধিক কাজে ব্যস্ত থাকা আরকি। কিন্তু এতে করে কি কোনো একটা কাজ ঠিকমতো হয়? ভালো করেই জানো, হয় না। তাই এই দিবসে বলা হয়, একটা কাজই ঠিকমতো করো। দিনের শুরুতে গুরুত্বের ভিত্তিতে কাজের তালিকা করলে সবচেয়ে ভালো হয়। (সেটা কি আসলে সম্ভব?)

default-image

১৯ ফেব্রুয়ারি

চকলেট মিন্ট দিবস

মিন্ট, অর্থাৎ পঁুদিনা পাতার ফ্লেভার দেওয়া চকলেটের স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতোই। ১৯ ফেব্রুয়ারি মিন্ট ফ্লেভারের চকলেট খেয়ে দিবসটি পালন করা হয় অনেক দেশেই। তুমি বাদ যাবে কেন?

default-image

২০ ফেব্রুয়ারি

চেরি পাই দিবস

চেরি পাই মানে বন্ধুর কাছে চেরি ফল পাই নয়! চেরি পাই হলো একধরনের খাবার। পাই বলতে মূলত অ্যাপল পাইয়ের কথাই জানো অনেকে। কিন্তু চেরি পাইও কম সুস্বাদু নয়। (খাবার-দাবার নিয়েই এত্তগুলো দিবস!)

default-image

২১ ফেব্রুয়ারি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

এই দিবস আমাদের জন্য বড় গর্বের বিষয়। সবাই জানো, ২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের শহীদ দিবস। ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিলেন রফিক-সালাম-বরকতসহ আরও নাম না জানা অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়ার মতো ঘটনা পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। সেই দিনটিকে সম্মান জানিয়ে ১৯৯৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস চালু করেছে ইউনেসকো। প্রত্যেকের মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা জানানোর পাশাপাশি এর চর্চা, যথাযথ প্রয়োগ, উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণ, অন্যের মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও মানুষে মানুষে ভালোবাসার কথাই বলা হয় এই দিবসে।

default-image

২২ ফেব্রুয়ারি

কলা-রুটি দিবস

কলা-রুটি মানে কিন্তু আলাদা দুটি খাদ্য নয়। কলা-রুটি হলো এমন এক রুটি, যা কলার মিশেলে তৈরি করা হয়। ১৯৩০ সালে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই খাবারটি। এখনো বিশ্বের অনেক দেশেই কলা-রুটির বিপুল চাহিদা। ‘কুইক ব্রেড’ হিসেবেও বেশ পরিচিত এই রুটি।

default-image

২৩ ফেব্রুয়ারি

কার্লিং ইজ কুল দিবস

কার্লিং—একধরনের খেলা। খুবই অদ্ভুত খেলা! ইনডোর বোলস, আইস-স্কেটিং এবং ঘর পরিষ্কার ও কাজের সমন্বয়ে গঠিত এক খেলা। বুঝতেই পারছ, কতটা আজগুবি ধরনের খেলা এটা! আর তাই মানুষকে এই খেলায় আগ্রহী করার জন্যই দিবসটির গোড়াপত্তন। আর হ্যাঁ, এই দিবসের সঙ্গে কিন্তু তাপমাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। কার্লিং ইজ কুল মানে—কার্লিং একটা মজার খেলা!

default-image

২৪ ফেব্রুয়ারি

টরটিলা চিপ দিবস

সহজ বাংলায় ভুট্টার আটা দিয়ে বানানো রুটি থেকে তৈরি চিপসজাতীয় খাবার। এই খাবারের উৎপত্তি স্পেনে। এখনো চেখে না থাকলে ইন্টারনেট ঘেঁটে রেসিপি বের করো। তারপর মাকে বলো টরটিলা চিপ বানিয়ে দিতে। (শক্ত পিটুনি খাওয়ার ঝুঁকি আছে!)

default-image

২৫ ফেব্রুয়ারি

ক্ল্যাম চাওডার দিবস

এটাও একটা ভিনদেশি খাবার। কেউ খেয়ে থাকলে আমাদের জানিও। আর যারা এর স্বাদ নাওনি (আমাদের মতো), তাদের জন্য বলি—এটা একধরনের স্যুপজাতীয় তরল খাবার। ক্ল্যাম হলো ঝিনুকের মতোই জলচর প্রাণী। এই ক্ল্যামের সঙ্গে পেঁয়াজ আর আলু মিশিয়ে তৈরি করা হয় স্যুপটি। বাপরে, চিন্তা করেই মাথা ঘুরছে!

default-image

২৬ ফেব্রুয়ারি

পেস্তা দিবস

এতক্ষণে একটা পরিচিত খাবারের নাম মিলল! পেস্তা—কমবেশি সবাই মধ্যপ্রাচ্যের এই সবুজ বাদামটি চেখে দেখেছ। বিশেষ করে পেস্তা দেওয়া আইসক্রিম তো অহরহ পাওয়া যায়। ইরান থেকেই সবচেয়ে বেশি আসে পেস্তা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কিছু দেশেও মেলে। বলা হয়, নয় হাজার বছর আগে পেস্তার স্বাদ পেয়েছে মানুষ। স্বাস্থ্যকর ও উপাদেয় এই খাবারের চাহিদা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তো দেরি কেন, বড়দের কাছে পেস্তা দেওয়া আইসক্রিম কিনে নেওয়ার একটা ভালো বাহানা তো পেলেই!

default-image

২৭ ফেব্রুয়ারি

গুঁড়া মরিচ দিবস

মিষ্টি খাওয়ার এক দিন পরই ঝাল চেখে দেখার দিবস! ধারণা করা হয়, গুঁড়া মরিচের চল শুরু মেক্সিকোতে, ১৮২৮ সালের দিকে। বোঝো অবস্থা, দুনিয়ায় কত কিছু বদলে গেল, কিন্তু গুঁড়া মরিচের স্বাদ সেই ভীষণ ঝালই থেকে গেল!

default-image

২৮ ফেব্রুয়ারি

ফুলেল নকশা দিবস

এই দিবস ফুল সাজানোর। যত রকম ফুল আছে হাতের কাছে—সব সাজাও। তবে সাজানোটা কিন্তু হওয়া চাই একদম আলাদা। কেবল জীবন্ত ফুলই নয়, কাগজের ফুল, প্লাস্টিকের বা কাপড়ের ফুল হলেও চলবে। আর কিছু না হলে অন্তত ফুলের ছবি এঁকেও দিবসটা পালন করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে রিটনার স্কুল অব ফ্লোরাল ডিজাইন নামে একটি স্কুল আছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি এর প্রতিষ্ঠাতা কার্ল রিটনারের জন্মদিন। তাঁকে স্মরণ করতেই সুন্দর এই দিবসের শুরু।

ডেজ অব ইয়ার অবলম্বনে  মাহফুজ রহমান

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0