ধন্যবাদের একটা মাউন্ট এভারেস্ট দিলেও কম হবে

তোমাকে যদি এখন ধন্যবাদের একটা মাউন্ট এভারেস্ট দিই, তবু কম হবে! কত দিন পর মনের মতো এফটি ফিচার! তোমার জন্মদিন পরের মাসে। অথচ তোমায় গিফটের বদলে তুমিই কবে গিফট দিয়ে দিলে! সেই ২৫ সালের মে মাসে আমার একটি চিঠি ছাপা হয়েছিল, সেখানে তোমায় অনুরোধ করেছিলাম ‘হ্যারি পটার’ নিয়ে লিখতে। তুমি মেঘ না চাইতেই জল দিয়ে দিলে!

শুনে মজা লাগতে পারে, হ্যারি পটার তো সবাই ছোটবেলায় দেখেই শেষ করে ফেলেছে! কিন্তু আমি ছোটবেলায় তেমন গুরুত্বই দিইনি! এখন হ্যারি পটারকে মনে হয়, কী একটা মাস্টারপিস! এটা না দেখে জীবন পার করে দিলে কী যে মিস করতাম! জে কে রোলিংয়ের মতো মাস্টারমাইন্ড আর হয়তো নেই এই জগতে! (আমার মতে!)

এত সুন্দর করে কিআতে হ্যারি পটারের গল্প লেখা হয়েছে, আমি পড়তে পড়তে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। হ্যারি, রন, হারমায়োনির জগতে সত্যিই সবার নতুনভাবে যেন প্রবেশ করলাম! বইগুলো যে অবশ্যই পড়ার, তাও তুমি সবাইকে বুঝিয়ে দিয়েছ। বইগুলোর তুলনা হয় না!

তবে কিআ, তোমার কাছে কিন্তু ব্ল্যাকপিংক নিয়ে শুধু আমি না, অনেক ভক্তই লিখতে বলেছে। তুমি কি পণ করেছ, জীবনে লিখবে না? যদি লেখো, তাহলে পুরো পৃথিবী হাতে পেয়ে গেলেও অনেক ভালোবাসব তোমায়। জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

মাসরুরা হোসাইন

এসএসসি পরীক্ষার্থী, মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঢাকা।