পয়লা বৈশাখ মানেই উৎসব
সম্পাদকীয়| এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে, ভারতের অনেক জায়গায়, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নানা দেশে প্রায় একই সময়ে নববর্ষ উদ্যাপিত হবে। আমাদের পাহাড়ে হবে বৈসাবি উৎসব আর থাইল্যান্ডে হবে সংক্রান উৎসব। প্রাচীন সৌরপঞ্জিকার হিসাব ধরেই এ অঞ্চলের মানুষ শত শত বছর ধরে নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছে প্রায় একই দিনে।
পয়লা বৈশাখ মানেই উৎসব।
আমরা গান গাই—এসো হে বৈশাখ।
আবার গেয়ে উঠি—তোরা সব জয়ধ্বনি কর! ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়।
এই দিনে ব্যবসায়ীরা খুলে বসেন হালখাতা। পুরোনো হিসাব চুকিয়ে নতুন খাতা শুরু হয়। চৈত্রসংক্রান্তি পালন করেন অনেকে। কোথাও বসে চড়কের মেলা। আকাশে ওড়ে রঙিন ঘুড়ি—চলতে থাকে ঘুড়ির উৎসব। তুমিও একটা কাজ করতে পারো। নিউজপ্রিন্ট কাগজ, কাঠি আর আঠা দিয়ে বানিয়ে ফেলো একটা ঘুড়ি। খোলা মাঠে গিয়ে সেটাকে উড়িয়ে দাও আকাশে। না হয় বানিয়ে ফেলো একটা ঘূর্ণি—কাগজ দিয়ে কিংবা কাঁঠালের পাতা দিয়ে। হাওয়া লাগলেই ঘুরতে থাকবে—ঠিক নতুন বছরের মতোই, নতুন আনন্দ নিয়ে। আর হ্যাঁ, তোমার বানানো ঘুড়ি বা ঘূর্ণির ছবি তুলে পাঠিয়ে দিয়ো আমাদের।
নতুন বছর হোক সুন্দর, উজ্জ্বল আর আনন্দে ভরা।
