রিকশাভাড়ার টাকা দিয়ে কিআ কিনেছিলাম

কিশোর আলোর মাধ্যমে আমি নিজেকে বুঝতে পেরেছি, নিজেকে জানতে পেরেছিএআই দিয়ে তৈরি

কিশোর আলোর সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। সেবার হঠাৎ একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে এক স্টেশনারি দোকানে কিশোর আলো দেখতে পেলাম। সেই কিআর প্রচ্ছদ এবং সম্পাদক—উভয়ই আমার কাছে ভালো লেগেছিল (কেননা আনিসুল হক স্যার আমার প্রিয় লেখক)। সে মুহূর্তে আমি দোকানে দাঁড়িয়ে থেকেই কিআর কমিকসগুলো পড়ে ফেলেছিলাম। সেই কিশোর আলোটি আমার কাছে এতই ভালো লেগেছিল যে আমি আমার রিকশাভাড়ার টাকা দিয়ে কিআটি কিনে ফেলেছিলাম। বাড়ি ফিরতে ফিরতে কিআর প্রায় অর্ধেক অংশ পড়ে ফেলেছিলাম। বাড়ি এসে শেষ করলাম বাকিটুকু। এক দিনে কিআ পড়ে শেষ করায় পরের দিন আমি আগের মাসের একটি কিআ কিনে আনলাম। চিঠিপত্তর বিভাগ থেকে কিশোর আলোর ফেসবুক গ্রুপের সন্ধান পেলাম। তারপর সেই গ্রুপের মেম্বার হয়ে জানতে পারলাম, ১ অক্টোবর কিআর ১০তম জন্মদিন। কিআড্ডার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সেই সুযোগ আর হাতছাড়া করলাম না। ১ অক্টোবর চলে গেলাম কিশোর আলো কার্যালয়ে। সেখান থেকেই কিশোর আলোর সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু। মাস পেরিয়েছে, বছর পেরিয়েছে, কিন্তু কিশোর আলো ঠিক একইভাবে তার মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছে, যেমনভাবে শুরু থেকে তার মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে (যদিও আমি শুরুর দিকে কিশোর আলোর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না)।

আরও পড়ুন
রিকশাভাড়ার টাকা দিয়ে কিআটি কিনে ফেলেছিলাম
এআই দিয়ে তৈরি

দেখতে দেখতে কিশোর আলোর এক যুগ হয়ে গেল। তবে কিশোর আলোর সঙ্গে আমার এই দুই বছরের যাত্রা খুবই আনন্দময়, আবেগপূর্ণ। কিশোর আলোর মাধ্যমে আমি নিজেকে বুঝতে পেরেছি, নিজেকে জানতে পেরেছি। আমি মনে করি, কিশোর আলো প্রতিটি কিশোরের কাছে একটি আবেগের জায়গা। আশা করি, এভাবেই কিশোর আলো পরবর্তী দিনগুলোতে তার আলো ছড়িয়ে যাবে এবং সব কিশোরের জন্য কল্যাণ ও আশীর্বাদ নিয়ে আসবে।

লেখক: শিক্ষার্থী, অষ্টম শ্রেণি, সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজ

আরও পড়ুন