জেলকর্তা: কাল তোমার ভোর পাঁচটায় ফাঁসি হবে।
এটা শুনে বল্টু হেসে ফেলল।
জেলকর্তা: হাসছ কেন?
বল্টু: আরে দূর! আমি সকাল নয়টার আগে উঠিই না।
রেগেমেগে অফিস থেকে বাড়ি ফিরলেন শফিক।
শফিকের স্ত্রী বললেন, ‘কী হলো? আজ এত চটে আছ কেন?’
শফিক: আর বোলো না। প্রতিদিন অফিসে যে কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি, সে আজ অফিসে আসেনি। মেজাজটাই খারাপ হয়ে আছে!
জামান: মিস, আপনি কি আমাকে ফোন দিয়েছিলেন?
মিস: কই! না তো।
জামান: কিন্তু আমি যে ফোনে দেখলাম, মিসড কল ১২ বার।
আরিফ: একমাত্র বোকারাই কোনো বিষয়ে শত ভাগ নিশ্চয়তা দেয়।
তারিক: তুই কি নিশ্চিত হয়ে কথাটা বললি?
আরিফ: অবশ্যই। আমি এক শ ভাগ নিশ্চিত!
রাশেদ একটা গল্প লিখে পত্রিকা সম্পাদকের কাছে পাঠাল। পত্রিকা সম্পাদক তার নিচে কিছু একটা লিখে সেটা আবার রাশেদের কাছে ফেরত পাঠাল। রাশেদ সেই লেখা পড়তে না পেরে চলে গেল সম্পাদকের কাছে।
রাশেদ: আপনি কী লিখেছেন, ঠিক পড়তে পারছি না।
সম্পাদক: ও! পড়তে পারছ না? লিখেছিলাম ‘তোমার হাতের লেখা খারাপ হওয়ার কারণে গল্পটা পড়তে পারলাম না!’
শিক্ষক: ধরো, তোমার কাছে দশ টাকা আছে এবং তুমি তোমার বাবার কাছে আরও দশ টাকা চাইলে। এখন তোমার কাছে কত টাকা আছে?
টিপু: দশ টাকা।
শিক্ষক: তুমি দেখি যোগ করতেও পারো না!
টিপু: আপনি আমার বাবাকে চেনেন না।
ফরিদ: জানিস, সামনের ১৫ তারিখে নাকি চাঁদে রকেট পাঠানো হবে।
রাকিব: যাহ, তুই মিথ্যা কথা বলছিস।
ফরিদ: কেন?
রাকিব: সামনের ১৫ তারিখ তো অমাবস্যা।