দুই যমজ ভাইয়ের চেহারায় এত মিল যে তাদের মা–বাবারও চিনতে অসুবিধা হয়। একদিন বাবা বাসায় ফিরে দেখলেন, তাঁর দুই জমজ ছেলের একজন কাঁদছে, একজন হাসছে।
বাবা: কী রে, ও কাঁদছে কেন?
হাস্যোজ্জ্বল ছেলে: মা ভুল করে ওকে দুবার গোসল করিয়ে দিয়েছে, আর আমাকে দুবার খাইয়ে দিয়েছে।
আফিফ: আপনার দোকানের ওষুধ খেয়ে আমি মৃত্যুর দোরগোড়ায় চলে গিয়েছিলাম।
দোকানদার: আজ ১০ বছর হলো আমি ওষুধ বিক্রি করছি। কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি। আপনার মুখেই এই প্রথম অভিযোগ শুনছি।
আফিফ: ভুলে যাচ্ছেন কেন, মৃতরা কোনো দিনও অভিযোগ করতে পারে না।
এক ভদ্রলোক ঝরনার পানিতে গোসল করতে গেছেন। সেখানে প্রায়ই কাপড় চুরি হয়। তাই তিনি তাঁর পোশাক খুলে তার ওপর একটা কাগজে লিখে রাখলেন
: ‘বিশ্ব হেভিওয়েট মুষ্টিযোদ্ধা’।
গোসল করে উঠে দেখেন কাপড় নেই। এক টুকরা কাগজ পড়ে আছে। তাতে লেখা: ‘এক হাজার মিটার দৌড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’।
পলাশ একটা চাকরির ইন্টারভিউতে গেছে। ম্যানেজার তাকে একটা ল্যাপটপ হাতে দিয়ে বললেন, তুমি এই ল্যাপটপটা আমার কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করো।
পলাশ একটা বগলে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে গেল।
ম্যানেজার ফোন করলেন পলাশকে। বললেন, এক্ষুনি ল্যাপটপটা নিয়ে আমার রুমে এসো।
পলাশ বলল, ৪০ হাজার টাকা দিন। আমি এটা আপনাকে দিয়ে দিচ্ছি।
পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন এল।
হ্যালো, বাঁচাও আমাকে জলদি।
কী হয়েছে?
ঘরে বিড়াল ঢুকেছে।
উফ্! এত ফালতু কারণে কেউ পুলিশে ফোন করে?
কিন্তু আমি যে ঘরের একমাত্র তোতাপাখি!