বিজ্ঞাপন

বইটির লেখক মানবর্দ্ধন পাল প্রায় ৩৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন। ছাত্রছাত্রীদের পড়িয়েছেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। ফলে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের নানা প্রশ্নের উত্তর তিনি এখানে যুক্ত করেছেন। যেমন ডিম্ব বানানের উচ্চারণ ‘ডিমবো’ কিন্তু অশ্ব বানানের উচ্চারণ ‘অশ্ শো’ কেন।

সাতটি সুর, সাতটি রঙের মতোই আমাদের ধ্বনিতেও রয়েছে সাতের খেলা। কী সেই সাত? বাংলা ভাষাতে আরও আছে নানান রহস্য, যা ‘অক্সিজেনের মতো নিজে জ্বলে না, কিন্তু অন্যকে জ্বলতে সাহায্য করে।’ এই রহস্য জানতে হলে পড়তে হবে বইটি।

ট্রেন ভ্রমণের সময় পাশে বসে থাকা এক তরুণের সঙ্গে পরিচয়ের পর ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার বাড়ি কোথায়?” তরুণ বলল, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া।” ভদ্রলোক আবার জিজ্ঞেস করলেন, “বানানটা কী?” তরুণের উত্তর, “আমরা এখন ঢাকায় থাকি”।

বানান নিয়েও আছে মজার ঘটনার বর্ণনা। লেখকের ভাষায়, ‘ট্রেন ভ্রমণের সময় পাশে বসে থাকা এক তরুণের সঙ্গে পরিচয়ের পর ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার বাড়ি কোথায়?” তরুণ বলল, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া।” ভদ্রলোক আবার জিজ্ঞেস করলেন, “বানানটা কী?” তরুণের উত্তর, “আমরা এখন ঢাকায় থাকি”।’

এই বইয়ের মাধ্যমে লেখক শিশু–কিশোরদের ব্যাকরণভীতি দূর করতে চেয়েছেন, বলেছেন বইয়ের ভূমিকাতেই। ফলে বইটিতে রয়েছে ভীতি জয়ের মন্ত্র।

দু-একটি জায়গায় গল্পের বর্ণনা ধীর বলে মনে হলেও বইটি পড়ে পাঠক বই পড়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন না, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।

মায়ের ভাষা নিয়ে আমাদের যে গর্ব, তা শুধু গান, কবিতায় সীমাবদ্ধ নেই; ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। ভাষা নিয়ে আমাদের এই অর্জন ধরে রাখতে হলে, বাংলা ভাষাকে তুলে দিতে হলে সারা পৃথিবীর মানুষের মুখে, আমাদের জানতে হবে ভাষার নানান দিক। আর সে পথে ‘ব্যাকরণের বিন্দুবিসর্গ’ হতে পারে একটি শক্ত হাতিয়ার।

লেখক: ষষ্ঠ শ্রেণী, স্কলাসটিকা | সদস্য, ঢাকা কিশোর আলো বুক ক্লাব

কিশোর আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন