আমি কখনো মোবাইল দেখি না

কখনো মোবাইল দেখি না বলে আমার দৃষ্টিশক্তি অনেক ভালোছবিটি প্রতীকী। প্রথম আলো

প্রিয় কিআ,

ফেব্রুয়ারি মাসের ‘আত্মোন্নয়ন’ ফিচারটি আমার ভালো লেগেছে। তবে অবাকও লেগেছে। কারণটা পরে বলছি। তোমাকে ফিচারটির কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ইচ্ছা আপুকে ধন্যবাদ। শোনো, তোমাকে একটা কথা বলি, দাঁড়াও, আগে একটু কেশে নিই। আচ্ছা, বলি...জানো, আমি কখনো মোবাইল দেখি না। আরেহ, সত্যি কথা। আমার আদর্শ হলো আমার মা, মানে ‘মামণি’। সে-ই আমাকে ছোটবেলা থেকে এভাবে গড়ে তুলেছে। তার কারণে দেখো, আমার দৃষ্টিশক্তি অনেক ভালো। রিলস, ফেসবুক এসব কখনো ধরেও দেখিনি। শুনেছি, অনেকে নাকি এখন মানে আমার বয়স থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ চালায়। আমার তো শুনলেই অবাক লাগে। কিআতে আমার এই চিঠি ছাপা হলে কিআ পাঠকদের অনেকেই হয়তো বলবে, ‘এহহ...চাপা মারার জায়গা পায় না...পাগল!’ তবে সবারই কিন্তু আমার মতো হওয়া উচিত। মানে প্রয়োজন ছাড়া অপ্রয়োজনে মোবাইল ধরার প্রশ্নই আসে না। অনেক বকবক করলাম। ‘গত বৃহস্পতিবার’ গল্পটা ঠিক বুঝতে পারিনি। ওই থিওরির কথাগুলোই বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। ওহ্‌, আমাদের ল্যাঙ্গুয়েজ কিন্তু আসলেই cng হয়ে যাচ্ছে। তোমার কাছে একটা প্রশ্ন ছিল। কিআর প্রচ্ছদ আঁকার সময় ওপরে কিআ ‘কিআ কিশোর আলো’ কথাটা লিখতে হবে? উত্তরটা জানিয়ো।

বি.দ্র.: এই চিঠি লেখার মাঝে একটু বসে ছিলাম। তখন একটা মশার হাত-পা আলাদা করে আমি একটু মজা করছিলাম, হি...হি...

ফারিয়া তাবাসসুম

সপ্তম শ্রেণি, সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি গার্লস স্কুল, ঢাকা

কিআ: নাহ্‌, কিশোর আলোর নামের যে কথাটা বলছ, যাকে আমরা বলি লোগো, সেটা তোমাদের লিখতে হবে না। তোমরা শুধু মাপ অনুযায়ী ছবিটা এঁকে পাঠাবে। তোমাদের কাছ থেকে আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি। অনেকেই সুন্দর সুন্দর প্রচ্ছদ এঁকে পাঠিয়েছ। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তোমরা একই ছবিতে ঈদ, স্বাধীনতা দিবস আর নববর্ষ রেখেছ। আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম, তিনটার মধ্যে যেকোনো একটা বিষয় নিয়ে প্রচ্ছদ আঁকবে। অথবা তিনটা ভিন্ন প্রচ্ছদ এঁকে পাঠাবে। আবার অনেকেই এআই দিয়ে প্রচ্ছদ তৈরি করে পাঠিয়েছ। এটা কোরো না। আমরা চাই তোমরাই আঁকো। আমরাও আরও ভালোভাবে নির্দেশনাগুলো দেওয়ার চেষ্টা করব, যেন তোমরা সহজে বুঝতে পারো।

আরও পড়ুন