কিআর খেলায় স্যারের নজর
প্রিয় কিআ,
এবারের সংখ্যায় যে ‘মজার খেলা’ দিয়েছিলে, সেটা স্কুলে বান্ধবীদের সঙ্গে খেলতে কিআ নিয়ে গিয়েছিলাম। সেদিন আবার ২৮ থেকে ৩০ জন মেয়ে এসেছিল। স্যার-ম্যাডামরা তেমন পড়াচ্ছেন না দেখে সবাই গল্পগুজব করছে। সায়েন্স ক্লাসে আমি কিআ বের করে অন্যদের সঙ্গে খেলছি দ্বিতীয় বেঞ্চে বসে। তখন স্যারের এটার দিকে নজর গেল, এরপর ঘুঁটি-ছক্কাসহ কিআ নিয়ে নিলেন। স্যারকে অনেক বললাম ফেরত দিতে। স্যার বললেন যে উনি এ নিয়ে অন্য স্যারদের সঙ্গে খেলবেন। এরপর অনেক কষ্ট করে কিআ ফেরত পেলাম। এর পর থেকে তিনি প্রতিদিন ক্লাসে এসে আমার কাছে কিআ চান। উনি গতকাল আমার কাছ থেকে তোমার নামধাম লিখে নিয়ে গেলেন। আর হ্যাঁ, তুমি চিকন থাকলেও সমস্যা নেই, কিন্তু গল্প বেশি বেশি খাবে। আচ্ছা, কিআ–ভক্তদের কী নামে ডাকা যায়, নাকি নাম আছে?
সুবাইতা নুর
অষ্টম শ্রেণি, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা।
কিআ: সেকি! স্যারদের জন্যও দেখছি একটা খেলা বের করতে হবে। ছক্কায় যত উঠবে, সে অনুযায়ী শিক্ষকেরা পড়া ধরবেন, এটা হতে পারে। তবে অনেক শিক্ষার্থীর জন্য খেলাটা সুখকর না-ও হতে পারে। শিক্ষার্থীবান্ধব কী ভাবা যায়? ধরো, এমন হতে পারে যে কিছু ক্লু দেওয়া থাকবে, মেলাতে না পারলেই স্কুল ছুটি, এটা কেমন? তোমরাও ভাবো। সঙ্গে এটাও ভাবো যে কিআ–ভক্তদের কী নাম দেওয়া যায়। নিজের ভক্তদের নাম নিজে দিতে লজ্জা লাগছে। আমি আবার একটু লাজুক প্রকৃতির তো।