অনেক আশা নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছি
প্রিয় কিআ,
প্রথমেই আমার পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা নাও। গত সংখ্যায় অরিগ্যামি সম্পর্কে এতগুলো তথ্য জেনে ভালো লেগেছে। এখন বলি, আমার মন খারাপ (যেহেতু ডিসেম্বরে পাঠাচ্ছি)। বৃত্তি পরীক্ষার জন্য বার্ষিক পরীক্ষার পর কোথাও যেতে পারিনি। এ অবস্থায় আমার আনন্দের একমাত্র উৎস হলো, আমার গল্পের বইয়ের ক্ষুদ্র সংগ্রহ। তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই। তুমি কি গল্পধাঁধা আর ছাপাবে না? আমি (শুধু আমি না, আমার মতো আরও অনেক পাঠক) সেই কবে থেকে অপেক্ষা করছি। গত মাসে ‘বুদ্ধির ব্যায়াম’ বিভাগটায় যে ধাঁধাগুলো ছাপিয়েছিলে, ৫ নম্বরটা ছাড়া অন্য সব কটিই পেরেছি (কারণ, কয়েকটা আগেও কিআর ধাঁধাতে দেওয়া হয়েছিল)। যদি জানুয়ারি সংখ্যায় না ছাপাও, তাহলে আশা করব এই চিঠির উত্তরে ধাঁধার উত্তরটি জানিয়ে দেবে। তোমার অনেক পাঠক বৃত্তি পরীক্ষা দেবে (আমিসহ)। তাদের জন্য অনেক দোয়া করবে। অনেক আশা নিয়ে এই চিঠিটা পাঠিয়েছি। আশা করি, নতুন বছরে নিরাশ করবে না। নতুন বছরের নতুন কিশোর আলোতে ছাপা অক্ষরে আমি আমার নাম দেখতে চাই। তাই দয়া করে এবার আমার চিঠিটা ছাপিয়ো (প্লিজ ১০×১০০০০০০০০০০০০)। আমি তাহলে অনেক খুশি হব।
বি. দ্র. অবশেষে আমাদের বাসায় একটা বিড়াল আনা হয়েছে। আমি ওর ছবি সবাইকে দেখাতে চাই।
সাদিয়া ইসরাত
ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, ঢাকা
কিআ: বলো কী, কয়েকটা আগেও ছেপেছি? আমার কাছে অবশ্য সব ধাঁধাই নতুন মনে হয়। মাত্র যেটা সমাধান করলাম, একটু পর আবার সেটা জটিল লাগে। যাহোক, আরও সতর্ক হতে হবে। গল্পধাঁধা আবার ছাপা হবে, একটু অপেক্ষা করো। তোমার বিড়ালটা তো হেভি কিউট! কী নাম রেখেছ ওর? তোমাকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। তোমার বিড়ালকেও জানাই ম্যাও ম্যাও।