ভীষণ আনন্দিত পাঠক
প্রিয় কিআ,
কেমন আছ? ঠান্ডায় নিশ্চই কষ্ট হচ্ছে তোমার! একে তো তোমাকে সোয়েটার পরানোর কোনো উপায় নেই আর তোমাকে থাকতে হয় টেবিলের ওপর, নয়তো বুকশেলফে। আমি অবশ্য তোমার জানুয়ারি সংখ্যাটার জন্য একটা কভার বানিয়ে দিয়েছি; কী করব বলো? আমার প্রিয় কিআকে তো কষ্টে রাখতে পারি না। তবে তোমার এবারের সংখ্যাটি একদম মনের মতোই কমিকস–ময় ছিল। আমার কাছে প্রচ্ছদটি সত্যিই ভালো লেগেছে। এবারের চিঠিপত্তর এতগুলো দেখেই ভীষণ আনন্দিত লেগেছিল। গল্প দুটোও বেশ চমৎকার হয়েছে। জানো কিআ, আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, তুমি ভুল করে কারও ক্লাস লেখোনি। কিন্তু পরে বুঝলাম আসল কারণ। প্রতি জানুয়ারিতে আমাকেও একই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কেউ ক্লাস জিজ্ঞাসা করলেই আগেরটা বলে ফেলছি। লেখা অগোছালো হওয়ায় তোমার পড়তে অসুবিধা হবে জানি, তার জন্য দুঃখিত। লেখা আর বড় করব না, বিদায়।
মাইদা জারিয়াত
দশম শ্রেণি, কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম
কিআ: আরে মাইদা, কী খবর তোমার? তোমাদের ওই দিকে খুব ঠান্ডা হলেও এবার ঢাকাসহ অনেক এলাকায় খুব একটা ঠান্ডা পড়েনি। ফলে সমস্যা হয়নি তেমন। আর বুকশেলফে পাঠ্যবইগুলোর চাপে থাকলে এমনিতেই মাথা গরম হয়ে যায়। জানুয়ারি সংখ্যা তোমার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। চিঠি একদম গুছিয়েই লিখেছ। পড়তে একটুও কষ্ট হয়নি। আরও লিখবে আশা করি। বিদায়।