হযবরল অবস্থা
প্রিয় কিআ,
নতুন বছরের শুভেচ্ছা। উইশ করতে দেরি হয়ে গেল বুঝি? মন খারাপ করার কিছু নেই, মাঝেমধ্যে মন খারাপ করা ভালো। এটা আমার লেখা তৃতীয় চিঠি। সামনে আমার এসএসসি পরীক্ষা। তুমি চিঠি না ছাপালে পরীক্ষার হলে গিয়েও আমি চিন্তায় মগ্ন থাকব যে হায়! কিশোর আলোর বোধ হয় আমার চিঠি পছন্দ হয় না। আমার সঙ্গে এবার আমার আরও পাঁচটা কাজিন এসএসসি দেবে। তুমি বুঝতে পারছ, ব্যাপারটা কত সাংঘাতিক? এখন আমার আম্মাজান চাচ্ছে, আমি তাদের চেয়ে ভালো রেজাল্ট করি। এই বয়সে তো আমার চিন্তাই করা উচিত নয়। কিন্তু এই পরীক্ষার চিন্তায় আমার হযবরল অবস্থা। তোমার উচিত আমার চিঠি গ্রহণ করে আমাকে সান্ত্বনা দেওয়া। নাহলে ওই যে বললাম, পরীক্ষার হলে গিয়েও...। আরেহ! আমি মোটেও তোমাকে থ্রেট দিচ্ছি না। মজা করতে ভালো লাগে এই আরকি...! ভালো থেকো।
সুমাইয়া আক্তার
এসএসসি পরীক্ষার্থী, কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
কিআ: তোমরা যে কত স্মার্ট, তা প্রতিনিয়ত টের পাই। এসএসসি পরীক্ষার আগে ভয়ে আমি কথাই বলতে পারতাম না, তুমি রীতিমতো একটা থ্রেট দিয়ে ফেললে। পরে অবশ্য বলেছ, এটা থ্রেট নয়, মজা! প্রথমে মজা হিসেবেই নিতে চেয়েছিলাম, পরে মনে হলো, এসএসসি পরীক্ষার আগে সাধারণত কেউ মজা করে না। ফলে আর ঝুঁকি নিলাম না। দেখা গেল, পরীক্ষা খারাপ হল থেকে পরে পাঁচ কাজিন মিলে আমাকে শায়েস্তা করতে চলে এসেছ। পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা কোরো না। প্রস্তুতি ঠিকঠাক হলে তুমি অবশ্যই সফল হবে। শুভকামনা রইল। ভালো থেকো।