কমিকস নিয়ে কিআড্ডা

২৫ জানুয়ারি ২০২৬। রোববার বেলা তিনটা। কিশোর আলোর জানুয়ারি মাসের অনলাইন মিটিং শুরু হলো। ঠিক একই সময়ে কিশোর আলোর কার্যালয়ে চলছিল পাঠকের চিঠি বাছাইয়ের কাজ। কিশোর আলোর তিনজন স্বেচ্ছাসেবক চিঠি, কুইজ ও পাঠকের লেখা বাছাই করছিল। এই তিনজনকে বাছাই করা হয়েছে কিশোর আলোর ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে। পোস্টে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ‘কারা কিশোর আলোর কার্যালয়ে এসে স্বেচ্ছাসেবা দিতে চাও?’ কমেন্টে যারা আসার আগ্রহ জানিয়েছে, তাদের ভেতর থেকে তিনজনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নেওয়া কিআ পাঠক ঠিক একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছে, কীভাবে ভলান্টিয়ার হতে পারব? কীভাবে কিশোর আলোর সঙ্গে যুক্ত হব? তখন অনলাইনে তাদের হাতে–কলমে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাতে–কলমে বলতে ক্যামেরা ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে যে ভলান্টিয়াররা কাজ করছে।

কিশোর আলোর নির্বাহী সম্পাদক আদনান মুকিত এবারের সভা পরিচালনা করেছেন। পাঠকদের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোর আলোর প্রদায়ক আব্দুল ইলা ও নওশিন শারমীন। আদনান মুকিত পাঠকদের জানিয়েছেন, কিশোর আলোর সব কার্যক্রমে যুক্ত থাকে এমন স্বেচ্ছাসেবকেরা। তারা বিভিন্ন আয়োজনে কিশোর আলোর স্টল পরিচালনা করে। এক পাঠক বলেছে যে সে ঢাকার বাইরে থাকে। সে কীভাবে যুক্ত হতে পারে? আদনান মুকিত তাকে বলেছেন, ‘এত দূর থেকে এসে এমন কাজে যুক্ত হওয়া কঠিন। তোমরা কিশোর আলোতে লেখা পাঠাতে পারো। যেমন ধরো, তুমি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে ঘুরতে গেলে। সেখানে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা কিশোর আলোতে পাঠাতে পারো। ছবি তুলেও পাঠাতে পারো।’

আরও পড়ুন

এক পাঠক জানতে চেয়েছে, কমিকস কীভাবে লিখতে হয় বা কমিকস এঁকে কীভাবে পাঠাব? এই প্রশ্ন ধরে অনেক্ষণ কমিকস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাঠানোর উপায় হিসেবে বলা হয়েছে, কমিকস যদি কেউ হাতে আঁকে, তাহলে স্ক্যান করে ই–মেইলে পাঠাতে পারে। আবার ডিজিটালি আঁকলে সেটা তো ই–মেইল করাই যায়। আবার কেউ চাইলে হাতে এঁকে খামে ভরে ডাকে পাঠাতে পারে চিঠির মতো করে। একইভাবে গল্প লিখলে ই–মেইলে বা ডাকে পাঠাতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসে যাদের জন্মদিন, তাদের নামধাম জেনে শেষ হয় জানুয়ারি মাসের কিআড্ডা।

আরও পড়ুন