পিঁপড়া নিয়ে মিউজিয়ামে দারুণ এক প্রদর্শনী
পিঁপড়া মানেই শুধু সারি বেঁধে চিনি চুরি করা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের গ্রিনউইচ শহরে ব্রুস মিউজিয়ামে দারুণ এক প্রদর্শনী করেছেন। নাম দেওয়া হয়েছে ‘অ্যান্টস: টিনি ক্রিয়েচারস, বিগ লাইভস’। এখানে পিঁপড়াদের জীবনকে দেখা যাচ্ছে নতুনভাবে।
পৃথিবীতে পিঁপড়ার প্রজাতি আছে প্রায় ২০ হাজার! প্রদর্শনীর কিউরেটর ড্যানিয়েল কেসপকা বলছেন, পিঁপড়ারা অসাধারণ; কারণ, তারা প্রকৃতির নীরব কর্মী। তারা মরা জিনিস পরিষ্কার করে, মাটিতে বাতাস ঢুকতে সাহায্য করে আর মাটিকে উর্বর করে।
পিঁপড়াদের সবচেয়ে মজার দিক হলো, এরা একা থাকে না। দল বেঁধে সমাজে থাকে। একেক পিঁপড়ার একেক দায়িত্ব। কেউ খাবার জোগাড় করে, কেউ বাচ্চাদের দেখাশোনা করে, আবার কেউ পাহারা দেয়। সবাই মিলে কাজ করে কলোনির ভালোর জন্য।
প্রদর্শনীতে আছে বিশাল বিশাল পিঁপড়ার মডেল। একটি মডেল তো প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা! এগুলো দেখে বোঝা যায়, পিঁপড়ার শরীর কতটা জটিল। এখানে পিঁপড়ার বাসার ছাঁচও রাখা হয়েছে। আসল পিঁপড়ার বাসায় গলিত অ্যালুমিনিয়াম ঢেলে এই ছাঁচ বানানো হয়েছে, যাতে ভেতরের গঠন দেখা যায়।
পিঁপড়ারা রাস্তা চিনতে বা বিপদের খবর দিতে গন্ধ ব্যবহার করে। এ প্রদর্শনীতে দর্শকেরা নল থেকে পিঁপড়ার গন্ধ শুঁকে দেখতে পারেন। কোনোটায় লেবুর মতো গন্ধ আবার কোনোটায় চিজের মতো! দারুণ এক প্রদর্শনী!