ভুল শোধরানোর চেষ্টা করো
অমনোযোগী কিআ,
এই রকম সম্বোধন দিয়েছি বলে রাগ কোরো না। তুমি কিন্তু সত্যিই অমনোযোগী। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় শব্দভেদের কথা। উত্তর পাঠানোর নিয়মে তুমি শুধু ই–মেইলে পাঠানোর কথা বলেছ। কিন্তু শব্দভেদের উত্তর তো ডাকেও পাঠানো যায়। এ রকম আরও অনেক ভুল আছে। সেগুলো শোধরানোর চেষ্টা করবে। আর আমার নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবে—
১. ‘জন্মদিন’ বিভাগে তো তুমি এই মাসের কত তারিখ কার জন্মদিন, সেটা লেখো। কিন্তু এই তথ্য জানো কীভাবে?
২. কবিতা, ফিচার বা কমিকস পাঠানোর ক্ষেত্রে খামের ওপরে কী লিখতে হবে এবং এগুলো কি ই–মেইলে পাঠানো যাবে?
যা–ই হোক, হাজার মন খারাপের কারণ হলেও দিন শেষে তুমি তো আমার বন্ধু। অনেক বকবক করে ফেলেছি। বিদায়...
স্পর্শ মজুমদার
ষষ্ঠ শ্রেণি, শিশুকানন বিদ্যালয়, মৌলভীবাজার
কিআ: ইয়ে...মানে ঠিকই বলেছ। আসলে রিলস দেখতে দেখতে মনোযোগ অনেক কমে গেছে। এই যে তুমি একটা ভুল ধরিয়ে দিলে। অমনোযোগী হয়ে আরেকটা ভুল করেছি, ডিসেম্বর মাসের তাতা জানুয়ারি মাসেও ছেপে দিয়েছি। কী একটা অবস্থা! শব্দভেদ এবার ডাকে পাঠানোর কথাও যোগ করে দিয়েছি। অফার জরিমানা হিসেবে থাকছে দুটো তাতা। এবার তোমার প্রশ্নের উত্তর দিই—
১. আগে অনেকেই লিখত, ‘আমার জন্মদিন অমুক মাসে, আমার চিঠিটা ছেপে দিয়ো।’ তখন জন্মদিনটা পেয়ে যেতাম, লিখে রাখতাম। আর এখন সবাই নিজ থেকেই তাদের জন্মদিন লিখে পাঠায়। সেখান থেকেই আমি তারিখটা জেনে যাই। তোমারও সবাই লিখে পাঠাতে পারো।
২. কবিতা, ফিচার বা কমিকস যেটা পাঠাবে, খামের ওপর সেটা তো লিখবেই, ভেতরেও লিখবে। অনেক সময় তোমরা খামের ওপর ঠিকানা লেখো, কিন্তু ভেতরে লেখো না। খাম তো ছিঁড়ে ফেলে, তখন আর নাম–ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায় না। আর কুইজ ছাড়া প্রতিটি বিভাগের লেখা ই–মেইলে পাঠানো যাবে।