দাঁতের যত্নে যে কাজগুলো করতেই হবে
দাঁতের ব্যথা। শুধু কি ব্যথা? ফুলেও যায় কখনো কখনো। আর কেমন সে ব্যাথা, সেটা বরং থাক। একবার দাঁতের ব্যথায় যারা ভুগেছ, তারা তোমার অভিজ্ঞতাটুকু বন্ধুকে জানিয়ে দিয়ো। এত দুর্ভোগ, এত ঝক্কি ঝামেলা কিন্তু খুব সহজে এড়ানো যায়। চাই শুধু সচেতনতা। আর দাঁতের একটুখানি যত্ন। এককথায় বলতে হলে যদি একটু সময় নিয়ে নিয়ম করে দাঁত ব্রাশ করো, বছরের পর বছর ভালো থাকবে দাঁত। যে তথ্যগুলো মনে রাখবে-
বছরে অন্তত দুবার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সমস্যা থাকুক কিংবা না থাকুক একবার দেখিয়ে নাও।
দাঁত ব্রাশের বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নাও কোন পদ্ধতিতে মাজতে হবে দাঁত
যারা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছ না, শুধু এটুকু জেনে রাখো, ব্রাশ কখনো সামনে পিছনে করে করতে হয় না। দাঁত যেসব কারণে ক্ষয় হয়, এটি তার অন্যতম। তাই দাঁত মাজতে হয় ওপর-নিচ করে।
দাঁত মাজতে হবে দিনে দুবার। সকালে খাওয়ার পরে, আর রাতে ঠিক ঘুমাতে যাওয়ার আগে।
আর যেসব টুথপেস্টে ফ্লোরাইড আছে, সেগুলো ব্যবহার করা বেশ ভালো। কারণ ফ্লোরাইড দাঁতের গঠনকে আরও দৃঢ় করে। দুই বেলা দাত মেজে সব দায়িত্ব শেষ করে ফেলো না যেন। খাবার-দাবারের প্রতিও একটু খেয়াল রাখতে হবে। দাঁত নষ্ট করে দেওয়ার জন্য কিন্তু মিষ্টিজাতীয় খাবারের জুড়ি নেই। আইসক্রিম, চকলেট, কৃত্রিম ফলের রস বেশি ক্ষতি করে দাঁতের। আর কোমল পানীয় তো রীতিমতো দাঁতের আয়ুই কমিয়ে দেয়। এবার সেই মোক্ষম প্রশ্নটা চলে আসতেই পারে। দাঁতের এনামেল তো শরীরের সব থেকে শক্ত অংশ, আর সে কিনা সামান্য আইসক্রিম, চকলেটে, মিষ্টির ধাক্কা সামলাতে পারে না! এগুলোকে দাঁত সামলিয়ে নেবে, যদি তুমি এগুলো খাওয়ার পর ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলো কিংবা ঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করে নাও। তবে এসব খাবার আবার গাদা গাদা খেয়ো না। এগুলো খেয়ে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত হয়তো বেঁচে যাবে। কিন্তু এসব খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া গোটা শরীরের জন্যই ক্ষতিকর।