মহাবিশ্বের অজানা ১০

মঙ্গল গ্রহনাসা

১. সূর্যের ভেতরটা এত বড়, একসঙ্গে দশ লক্ষ পৃথিবী ঢুকে যেতে পারে। তবু সূর্যকে ধরা হয় মাঝারি আকারের একটি তারা।

২. বহু বছর ধরে মনে করা হতো, আমাদের সৌরজগতে একমাত্র পৃথিবীতেই তরল পানি আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নাসা শক্ত প্রমাণ প্রকাশ করেছে যে মঙ্গল গ্রহেও প্রবাহমান পানি আছে।

৩. ধূমকেতু হলো আমাদের সৌরজগতের জন্মলগ্ন, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগের অবশিষ্টাংশ। এগুলো মূলত বালি, বরফ ও কার্বন ডাই–অক্সাইড দিয়ে তৈরি।

৪. তুমি কখনোই বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস বা নেপচুনে হাঁটতে পারবে না, কারণ এই গ্রহগুলোর কোনো কঠিন পৃষ্ঠ নেই।

৫. তুমি যদি বিমানে চেপে প্লুটোতে যাওয়ার চেষ্টা করো, তাহলে এই যাত্রা শেষ করতে ৮০০ বছরেরও বেশি সময় লেগে যাবে।

আরও পড়ুন

৬. স্পেস জাঙ্ক বলতে পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে বেড়ানো এমন সব মানবসৃষ্ট বস্তুকে বোঝায়, যেগুলো আর কোনো কাজে লাগে না। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বর্তমানে প্রায় ৫ লক্ষ টুকরা স্পেস জাঙ্ক রয়েছে। এর মধ্যে রকেট ও উপগ্রহের ভাঙা অংশ তো আছেই, এমনকি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের সময় ফেলে দেওয়া জিনিসও আছে!

৭. গড়ে প্রতি বছর গাড়ির আকারের একটি গ্রহাণু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। তবে এগুলো আমাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুড়ে যায়।

৮. মানুষের জানা সবচেয়ে উঁচু পাহাড়টি রয়েছে ভেস্টা নামের একটি গ্রহাণুতে। এর উচ্চতা প্রায় ২২ কিলোমিটার। যা মাউন্ট এভারেস্টের চেয়েও তিন গুণ বেশি!

৯. মহাবিশ্বে তারার সংখ্যা পৃথিবীর সব সমুদ্রসৈকতের বালুকণার সংখ্যার চেয়েও বেশি। সংখ্যাটি অন্তত এক বিলিয়ন ট্রিলিয়ন!

১০. মঙ্গল গ্রহে সূর্যাস্তের রং নীল দেখায়।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

আরও পড়ুন