অরিগ্যামি কিআ

অরিগ্যামি-কিআ

অরিগ্যামি

বসন্তের রঙ্গিলা প্রজাপতি

বন্ধুরা বাসায় এলে যদি বেখেয়ালে বলে ফেলে, ‘প্রজাপতি! প্রজাপতি! কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা?’, তখন তো তুমি বাহবা নিতেই পারো! বসন্তের ফুলে ফুলে যে প্রজাপতি উড়ে বেড়ায়, তাকে এমন করে ঘরে বন্দী করার ফন্দি ...

বসন্তের রঙ্গিলা প্রজাপতি

অরিগ্যামি

কাগুজে গোল্ডফিশ

তোমার পছন্দমতো ডোরা এঁকে রং করে বানিয়ে ফেলো কাগুজে গোল্ডফিশ! তবে ভুলেও একে অ্যাকুয়ারিয়ামে চুবাতে যেয়ো না! মাছ পানিতে ডুবলে বাঁচে, আর ও ডুবলে মরবে! কাগজের তৈরি কিনা!

কাগুজে গোল্ডফিশ

অরিগ্যামি

পিয়ানো একখান

চেয়ে দেখো তো—ঠিক ঠিকই বানানো হয়ে গেল একখান কাগুজে পিয়ানো। পিয়ানো বাজাতে পারো আর না পারো, বানাতে তো পারো! হলোই–বা তা কাগজের তৈরি! কী বলো?

পিয়ানো একখান

অরিগ্যামি

চলো বানাই চিঠির খাম

পরীক্ষার খাতায় তো ‘দশে দশ’ পেতে অনেক চিঠিই লিখলে! এবার সত্যি সত্যিই লিখে ফেলো তোমার বন্ধুর কাছে আর চমকে দাও তাকে!

চলো বানাই চিঠির খাম

অরিগ্যামি

রোজ সকালের স্কুলবাস

এমন একখানা বাসে চড়ে, বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে মেতে রোজ সকালে স্কুলে যেতে পারলে বেশ হতো। কী বলো?

রোজ সকালের স্কুলবাস

অরিগ্যামি

নতুন বছরের নতুন জামা

করোনার এই করুণ সময়ে শপিং মল তো দূরের কথা, তোমার-আমার তো বাড়ির বাইরে যাওয়াই মানা! এর চেয়ে এই বেশ—ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলি নতুন বছরের নতুন জামা!

নতুন বছরের নতুন জামা

অরিগ্যামি

খরগোশ বাবুর মুখোশ

চলো বানাই খরগোশ বাবুর মুখোশ!

খরগোশ বাবুর মুখোশ

অরিগ্যামি

ছোট্ট কুকুরছানা

‘ঘেউ ঘেউ’ করবে করুক, কইরো নাকো মানা। দাঁত ওঠেনি এখনো ওর, দেবে নাকো হানা!

ছোট্ট কুকুরছানা

অরিগ্যামি

মাথার ওপর ছাতা

তোমার পিঠে বই-খাতা আর মাথার ওপর ছাতা। রোদ-বৃষ্টি যা–ই হোক, ঢের ঠেকাবে তা!

মাথার ওপর ছাতা

অরিগ্যামি

রঙিলা মাথার তাজ

চলো আজ বানাই তাজ। লাগবে নানান রঙের একই মাপের কতগুলো বর্গাকার কাগজ।

রঙিলা মাথার তাজ
আরও