ছড়া কিআ

ছড়া-কিআ

কিশোর কবিতা

গিয়েছিলাম বিয়ে খেতে

বিয়ের দাওয়াত পেলেই আমার মনটা ওঠে নেচে / তৈরি হতে শুরু করি কাপড়চোপড় কেচে। / কমিউনিটি সেন্টারে না, বিয়ের দাওয়াত খেতে / সেজেগুজে হচ্ছে এবার হাসপাতালে যেতে...

গিয়েছিলাম বিয়ে খেতে

কিশোর কবিতা

গুড়-মিঠোলা

বাংলাদেশের মিষ্টি! আহা বিশ্বজয়ের দশ মালাই এর / কুমিল্লা যাও, স্বাদ চেখে নাও মনমাতানো রসমালাইয়ের / টাঙ্গাইলের চমচমে স্বাদ! কোথায় পাবে তার জুড়িটা? / ‘রোজ দুবেলা খাচ্ছি’—বলেন মিষ্টিপাগল আরজুম রিটা।

গুড়-মিঠোলা

তোমাদের লেখা

প্রজাপতি

বনের ভিতর প্রজাপতির / আজ বসেছে মেলা, / সবাই মিলে করছে তারা / ভীষণ মজার খেলা।

প্রজাপতি

তোমাদের লেখা

যদি সাকিব হতাম

যদি আমি সাকিব হতাম / সাকিব হতো সোহা। / চার-ছক্কা আমার ব্যাটে / সাকিব খেত মোয়া।

যদি সাকিব হতাম

তোমাদের লেখা

সুপারহিরো

আমি এক হিরো, / পরীক্ষায় পাই জিরো, / শূন্য পাওয়া আমার অভ্যাস / মনে মনে বলি ‘শাব্বাশ’!

সুপারহিরো

ছড়া

কম্পিউটার

আগে যেমন ছাপাখানায় / থাকত অনেক কম্পোজিটর / সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাতে / টাইপ সাজাত ব্যস্ত হাতে / এখন কিনা সেই জায়গা / করল দখল কম্পিউটার।

কম্পিউটার

তোমাদের লেখা

ঘাসফড়িংয়ের ডানা

ঘাসফড়িংয়ের ডানায় চড়ে / যাব আমরা অনেক দূরে / যেই শহরে শঙ্খচিলের আনাগোনা নাই / এমন একটা সুখের শহর খুঁজে দে না ভাই!

ঘাসফড়িংয়ের ডানা

তোমাদের লেখা

নতুন একটি বছর

নতুন ঢঙে নতুন রঙে / নতুন বছর আসে / নিত্যনতুন চাওয়া–পাওয়া / হৃদয় যেন হাসে।

নতুন একটি বছর

তোমাদের লেখা

ভোরের পাখি

ভোরের পাখি ডেকে বলে / সবাই শোনো শোনো / পুব আকাশে লাল হয়েছে / নাও রাঙিয়ে মনও।

ভোরের পাখি

তোমাদের লেখা

আজব বুড়ো

লাগবে নাকি, মিষ্টি হাওয়া, / মিটিমিটি তারা— / এমন জিনিস পাবে না ভাই / আমার ঝোলা ছাড়া।

আজব বুড়ো
আরও