স্কুলের তারকা কিআ

স্কুলের তারকা-কিআ

স্কুলের তারকা

‘গণিত বিষয়টা না থাকলে ভালো হতো কত!’ — ইউশরা জাহান

ছোটবেলা থেকেই মেয়েটা ভীষণ খেলাপাগল। বিকেল হলেই মেয়েরা যখন কানামাছি বা ফুলটোক্কা খেলতে নামত, তখন তাকে দেখা যেত পাড়ার মাঠে ব্যাট হাতে। শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজের ক্রিকেট দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার ...

‘গণিত বিষয়টা না থাকলে ভালো হতো কত!’ — ইউশরা জাহান

স্কুলের তারকা

‘পুলিশের ডিআইজিকে স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইভ টিজারের কথা বলে দিয়েছিলাম!’ — মোসাররত মেহজাবীন

মেহজাবীন সমানভাবে পারদর্শী উপস্থিত বক্তৃতা, গল্প বলা আর বিতর্ক করায়। ‘সনাক’ আয়োজিত ‘দুর্নীতিবিরোধী’ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নিজ দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ বিতার্কিকের পুরস্কারটা নিজের ঝুলিতে ...

‘পুলিশের ডিআইজিকে স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইভ টিজারের কথা বলে দিয়েছিলাম!’ — মোসাররত মেহজাবীন

কিশোর তারকা

পূজাকে তো চেনোই

সাইকেল চালাতে খুব ভালো লাগে পূজার। সময় পেলেই ক্যান্টনমেন্টের মানিকদির রাস্তায় সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। আর প্রতি সপ্তাহে নাচের ক্লাসে যাওয়ার সময় সাইকেলটাই হয় তার বাহন।

পূজাকে তো চেনোই

স্কুলের তারকা

‘আরেকবার জন্ম নিলে আমি আমিই হতাম!’ — সাদেকীন হায়দার

প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই কেন্দ্রীয় খেলাঘর আয়োজিত হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগে প্রথম হয় সাদেকীন। সেই থেকে আত্মবিশ্বাস আর মায়ের অনুপ্রেরণায় পথচলা।

‘আরেকবার জন্ম নিলে আমি আমিই হতাম!’ — সাদেকীন হায়দার

স্কুলের তারকা

‘আঙ্কেলের কোলে চড়ে স্টেজে উঠে পুরস্কার এনেছিলাম’ — মুহাম্মদ উল্লাহ

ভাবো তো এমন একটি ছেলের কথা, যে পুরস্কার নিয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির হাত থেকে!

‘আঙ্কেলের কোলে চড়ে স্টেজে উঠে পুরস্কার এনেছিলাম’ — মুহাম্মদ উল্লাহ

স্কুলের তারকা

ভয়টা ভাঙিয়ে দিল মাইসুন

যোগাযোগের বৈশ্বিক ভাষা ইংরেজির প্রতি এ দেশের শিশুদের মনে একটা ভীতি ছোটবেলা থেকেই জেঁকে বসে। মাইসুন শিশুদের মন থেকে এই ভীতি একেবারেই দূর করে দিয়েছে। মাইসুনের কথা শুনলে, ভিডিও দেখলে ও বই পড়লে মনে হবে, ...

ভয়টা ভাঙিয়ে দিল মাইসুন

স্কুলের তারকা

‘আমি যেন কখনো বড় না হই’ — তাসমিয়া রহমান

স্কুলের সবাই একবাক্যে স্বীকার করে, সারা স্কুলে এমন লক্ষ্মী মেয়ে আর দ্বিতীয়টি নেই। আসলেও তা-ই। নম্র স্বভাবের দুষ্টু-মিষ্টি মেয়েটা যে অনেক কাজের কাজি!

‘আমি যেন কখনো বড় না হই’ — তাসমিয়া রহমান

স্কুলের তারকা

‘আমার পোষা প্রাণীগুলোর ভাষা বুঝতে চাই’ — শ্রাবন্তী সাহা

স্বরলিপির ডায়েরি, ছবি আঁকার স্কেচবুক—দুটোই ভীষণ প্রিয় মেয়েটির। মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকা শব্দগুলো নিয়ে আপন সুরে গাইতে যেমন সে ভালোবাসে, তেমনি ভালোবাসে রঙের সঙ্গে রং মিশিয়ে নিজের স্বপ্নগুলো ফুটিয়ে তুলতে।

‘আমার পোষা প্রাণীগুলোর ভাষা বুঝতে চাই’ — শ্রাবন্তী সাহা

স্কুলের তারকা

‘আমার একটা টাইম মেশিন চাই’ — তাসনীম বিন আলম

মুহম্মদ জাফর ইকবালের দীপু নাম্বার টুর দীপুর কথা মনে পড়ে, বন্ধুরা? ওই যে প্রতিবছর স্কুল বদলাত যেই ছেলেটা? গল্পের দীপুর সঙ্গে নবম শ্রেণিপড়ুয়া তাসনীম বিন আলমের বেশ মিল পাওয়া যাবে।

‘আমার একটা টাইম মেশিন চাই’ — তাসনীম বিন আলম

স্কুলের তারকা

‘বুঝতে যখন শিখেছি, তখন থেকে আমি লিখছি’ — মীম নোশিন নাওয়াল খান

মা-বাবার শত আদরের মেয়ে মীনা, শিক্ষা দিয়ে যে সব কুসংস্কার দূর করে সামনে এগিয়ে যেতে চায়। মীনার মতোই মীমও স্বপ্ন দেখে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার। স্বপ্ন পূরণের পথে তার এগিয়ে যাওয়া লেখালেখির মাধ্যমে।

‘বুঝতে যখন শিখেছি, তখন থেকে আমি লিখছি’ — মীম নোশিন নাওয়াল খান
আরও